আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হবে কী হবে না তা আদালতের বিষয়। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
আজ (রোববার) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ল’ রিপোর্টাস ফোরাম আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
সরকার কেনো নির্বাহী ক্ষমতা বলে এখনো জামায়াতকে নিষিদ্ধ না করে আদালতকে ব্যবহার করছে-সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইন মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কানাডাসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো মৃত্যুদণ্ড সমর্থণ করে না। ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে আনা অনেক জটিল হয়ে পড়ছে। এর পরেও তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সংগঠনের সভাপতি সালেহ উদ্দিনের পরিচালনায় এই অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেন,সংবিধান ও আইন অমান্য করে, যা খুশি তাই করলে তো জঙ্গলেই থাকতে পারতাম । তিনি বলেন, সংবিধানের ১০৮ অনুচ্ছদে আদালত অবমাননার অভিযোগে যেহেতু সাজার বিষয়ে সুস্পষ্ট কথা উল্লেখ নেই। কতটুকু অপরাধের জন্য কতটুকু সাজা, তা অপরাধীর জানতে হবে। সেখানে আদালত অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে তিরস্কার করে সতর্ক করে দিতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিসন এবং আসামি পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে আইনমন্ত্রী হিসেবে আপনি কী ভুমিকা রাখছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২৫ মার্চ তাদেরকে নিয়ে বসার সিদ্ধান্ত আছে। আইনমন্ত্রী বলেন, ওখানে অনেক গ্রুপ, অনেক দ্বন্দ্ব। দেখা যাক কি করা যায়।
সংবিধানের ৯৫(২) খ অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগ স্বাধীন, তবে এখনো বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় গঠন করা হয়নি কেনো এই প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, এটা সময়সাপেক্ষ বিষয়। একটা রুপরেখা এবং নীতিমালা তৈরি হচ্ছে, পূর্ণাঙ্গ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগাম কিছু মন্তব্য করবেন না তিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নিম্ম আদালতে একটি মামলায় চার্জগঠনের শুনানি বিষয়ে আইনজীবীদের হৈচৈ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা ধৈর্য ধারণ করতে পারত। হৈচৈয়ের ফলে বিচারক কি পড়ে শুনাচ্ছেন তা বুঝা যাচ্ছিল না। ওই আইনজীবীরা আদলতকে অকার্যকর করতে চেয়েছে।
আইন মন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হবে । কিন্তু আপনারা বিভ্রান্ত হবেন না। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে পর ৫ বার আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্যানেল পরাজিত হবার কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে অনৈক্য এবং একাধিক প্যানেল দেয়ায় তারা হেরে গেছেন।
সুপ্রিম কোর্ট চত্ত্বরে বহিরাগত সন্ত্রানীরা ঢুকে মহিলা আইনজীবীকে মারধরের ঘটনায় আপনারা কি ব্যবস্থা নিয়েছেন এ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, খোঁজ নিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি।
[b]ঢাকা, একে ২৩ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.ডটকম) // কেবি[/b]
জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হবে কী হবে না তা আদালতের বিষয়। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন উল্লেখ করে তিনি বলেন বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না।
ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রকে মানুষের ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই: আইনমন্ত্রী
ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রটাকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ঢাকার সাবরেজিস্টারদের পোস্টিংয়ে লটারি ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী
ঢাকা শহরের সাবরেজিস্টারদের পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে লটারি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: আইনমন্ত্রী
যেকোনো পরিস্থিতিতে নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ার নয় : আইনমন্ত্রী
সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের মতো কোনো পদ্ধতি অনুসরণ না করার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে প্রচলিত আইন আরও শক্তিশালী করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
গায়েবি মামলার কোনো প্রমাণ নেই ৫ আগস্টের পর: আইনমন্ত্রী
৫ আগস্টের পর দেশে কোনো গায়েবি বা রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয়নি বলে দাবি করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, এ সময়ে পুলিশ বাদী হয়ে নতুন করে কোনো গায়েবি মামলা করেনি।
















