দুই বঙ্গে অস্থির পরিবেশ তৈরির চক্রান্ত চলছে বলেও মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

ভারতের বিহার রাজ্যের বৌদ্ধগয়ায় শনিবার বৌদ্ধধর্মালম্বীদের ‘কঠিন চীবর দান’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিহারের বিজেপি বিধায়ক শ্যামদেব পাশোয়ান, ভারতের বৌদ্ধ টেম্পল কমিটির সেক্রেটারি মেম্বার এন দরজিসহ অনুষ্ঠানে ভারত, থাইল্যান্ড, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম ও বাংলাদেশের প্রায় ৮০০ প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ইনু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে যারা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে এবং বাংলাদেশে যারা নাশকতা করছে, আমরা তাদের হালকাভাবে নিচ্ছি না। আমরা প্রধানমন্ত্রী ও খালেদা জিয়াকে হত্যার খবরকে একদমই হালকাভাবে দেখছি না। দুই বঙ্গে অস্থির পরিবেশ তৈরি করতে এ ধরনের চক্রান্ত চলছে। জঙ্গিগ্রুপের সঙ্গে সীমানার সংযোগ রয়েছে, তা স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক চক্র ও আইএসআই এ অঞ্চলে নানারকম দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করছে। সুতরাং আমরা সবাই যদি উদাসীন থাকি, তাহলে বিপজ্জনক হবে। এখন চুপ করে বসে থাকার সময় নয়।’

জামায়াত-বিএনপি সর্ম্পকে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে উচ্চ আদালতে মামলা আছে। জামায়াত নিষিদ্ধ করতে গেলে আইনের সংশোধন করা দরকার।’

খালেদা জিয়া জামায়াতের হরতালকে নীরব সমর্থন এবং বিচারের বিরোধিতা করেছেন বলেও মন্তব্য করেন ইনু।

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে যারা বিরোধিতা করেছিল এবং যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করেছে, তারা রাজাকার। আধুনিক বাংলাদেশে যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাচ্ছে তারাও নব্য রাজাকার। নব্য রাজাকারদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং পুরনো রাজাকার জামায়াতে ইসলাম।’

ইনু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লির সরকার ভারতের জনগণের প্রতিনিধি। তাই তারা ভারতীয় জনগণের স্বার্থে কাজ করবে। বাংলাদেশ তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধু প্রতিবেশী। তাই সেই সম্পর্ককে তারা আরও গভীর করার পদক্ষেপই নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘দারিদ্র্যের বোমা, সাম্প্রদায়িকতা ও আণবিক বোমা- এ তিনটি বিপজ্জনক বোমার ওপর দাঁড়িয়ে আছি আমরা। দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশকে এগোতে হলে এ তিনটি বোমা নিষ্ক্রিয় করতে হবে।’

এএইচ