চবি ও চুয়েটসহ শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের হামলা, সন্ত্রাস, অস্ত্রবাজীর প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, ক্যাম্পাস গুলোতে একের পর নারকীয় তান্ডবের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে ছাত্রলীগ।
দক্ষিণ বঙ্গের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ চবি এবং চুয়েট আবারো তাদের অভ্যন্তরীন কোন্দলে রক্তাক্ত হয়েছে। আজ ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে চবি’তে তাদের সশস্ত্র হামলায় আহত হয়েছে পুলিশের ওসি সহ প্রায় ৩০ জন।
এ সময় দুপক্ষের মুহুর্মুহু গুলিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে হাজার হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক। অন্যদিকে চুয়েটেও ছাত্রলীগ একে অন্যর উপর হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়ে তান্ডব চালিয়েছে।
অন্যদিকে দু:খজনক ভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চুয়েট বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা বলব, সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রন না করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া কোন সমাধান নয় বরং তা সন্ত্রাসীদের মদদ দেয়ার শামিল।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিচারহীনতা ও প্রসাশনের প্রত্যাক্ষ মদদে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে ছাত্রলীগ।
ভয়ঙ্কর এ সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশ নিজেই গুলিবিদ্ধ হয়েছে। ছাত্রদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশই যদি ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলার শিকার হয় তাহলে সেখানে শিক্ষার্থীদের জান-মালের নিরাপত্তা কতটুকু তা সহজেই অনুমেয়।
কিন্তু এভাবে লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি থাকবে তা মেনে নেয়া যায়না। ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীন সন্ত্রাসের দায় বহন করতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধ্য নয়। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জান-মালের হেফাজতের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।
সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করে জনগণ। আমরা অবিলম্বে অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি।
একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আহবান জানাচ্ছি।
এসএইচ





