আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনই পরবর্তী নির্বাচন কেমন হবে তার ইঙ্গিত বহন করবে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘গুম, খুন ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার জন্য। বর্তমানে আমরা স্বাধীনভাবে চলতে-ফিরতে পারছিনা।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই প্রতিষ্ঠাতা বলেন, দেশে গুমের রাজনীতি শুরু হয় ১৯৭৩ সালে শেখ মুজিবের আমলে। তখনকার রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে মানুষকে ধরে নিয়ে গুম করা হতো। বর্তমানে এর পুনঃরাভিত্তি করছেন তার কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ৫ই জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচন থেকে গুম-খুন বেড়ে গেছে। যা এখন পর্যন্ত চলছে। যার স্বীকার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীসহ সর্বশেষ যুগ্ন মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি আরও বলেন, এই সরকার র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু র‍্যাব-পুলিশ দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যায়না। মানুষকে গুলি করে মারা, পেছন থেকে ধরা এই নীতি প্রত্যাহার করতে হবে।

এসময় সিটি নির্বাচনের প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের প্রচারনার কার্যক্রম চালাতে পারে সেজন্য বিচারপতিদের সক্রিয় ভূমিকা পালন করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. সৈয়দ মুহমদ ইব্রাহিম বীর প্রতিক,সালাহ উদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ প্রমুখ।

এমএ/এমকে