[justify]বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, ফরমালিন নয়, ভয়াবহ বিষাক্ত বিষ প্রয়োগ করেছে আওয়ামী লীগ। এই বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকসহ রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, তাদের রোষাণল থেকে অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা, এনজিও, মানবাধিকার সংগঠন কেউ বাঁচতে পারেনি।
রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা আলমগীর বলেন, যারা আজকে বিএনপির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তাদের বুঝা উচিৎ যে বিধি বিধানে বিএনপির জন্ম হয়েছে। সে বিধি বিধানে আওয়ামী লীগেরও পুন:জন্ম হয়েছে। শেখ মুজিব ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে হত্যা করেছিল। জিয়াউর রহমানই বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনে করে আওয়ামী লীগের পুন:জন্ম দিয়েছিলেন। সুতরাং যারা বিএনপির অবৈধ হলে, তাদেরও বৈধতা থাকেনা।
র‌্যাব বিলুপ্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শনিবার প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে মনে হয়েছে তিনি তার অবস্থান থেকে সরে এসেছে। অথচ এক সময় তিনিই র‌্যাবের বিরোধীতা করেছিলেন। কিন্তু এখন কী কারণে তিনি এখন র‌্যাবের পক্ষ নিয়েছেন এবং প্রসংশা করেছে তা বোধগম্য নয়। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে র‌্যাবকে রাজনৈতিক কাজে ব্যবহার করছে। এজন্যই তারা এখন বলছেন র‌্যাব বিলুপ্তি সম্ভব নয়। অথচ আমাদের দাবি অত্যন্ত ন্যায় সঙ্গত। র‌্যাব বিলুপ্তি এখন সময়ের দাবি।
মির্জা আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ সত্যিকার অর্থেই রাজনৈতিক ভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দ্রুত নির্বাচন দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। তখনই দেখা যাবে জনগণ কাদের সাথে আছে আর কাদের প্রত্যাখান করেছে।
ফেসবুক ও ব্লগের মাধ্যমে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে বিষেদাগার ছড়ানো হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে ফেসবুক ও ব্লগে তারেক রহমানের নামে ভুয়া এ্যাকাউন্ট খুলে কেউ কেউ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই তারেক রহমানের কোন ফেসবুক ও ব্লগ এ্যাকাউন্ট নেই।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানই শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে আসার প্রত্যক্ষ সুযোগ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু কাকতালীয় ভাবে শেখ হাসিনা দেশে আসলেন মে মাসের ১৭ তারিখে আর জিয়াউর রহমান নিহত হলেন ৩০ তারিখে।
জামায়াতের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে বিএনপি’র প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমরা লক্ষ করেছি। তবে আরো পর্যবেক্ষন করে পরে মন্তব্য করতে পারবো। তাবে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনে স্বয়ং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সন্দেহ দেখা দিয়েছে যে, জামায়াত সম্পর্কে আ’লীগের আগের অবস্থানে আছে কিনা।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ০১জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ[/b]

[/justify]