আরেক দফা পেছাল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার তারিখ। লন্ডন বিএনপির একটি সূত্র জানিয়েছে সর্বশেষ তথ্যমতে,কয়েকদফা পরিবর্তন করে আগামী ২ নভেম্বর দেশে ফেরার জন্য বিমানের টিকিট বুকিং দিয়েছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে ৩ নভেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন খালেদা জিয়া।

তার আগে ২৭ অক্টোবর যুক্তরাজ্য শাখা বিএনপি একটি সমাবেশ করার চিন্তাভাবনা করছে। সেখানে খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সমাবেশের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি খালেদা জিয়া। যদিও লন্ডন বিএনপির পক্ষ থেকে এরইমধ্যে দলের চেয়ারপারসনের সঙ্গে নেতাকর্মীদের মতবিনিময়ের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু হয়েছে।

চোখের চিকিৎসার জন্য ১৬ সেপ্টেম্বর লন্ডনে যান বিএনপি চেয়ারপারসন। ১ অক্টোবর তার দেশে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু চোখে অস্ত্রোপচারের কারণে তার ফিরতে বিলম্ব হয়। এরপর ৮, ১৫ ও ১৯ অক্টোবর দেশে ফেরার টিকিট বুকিং দেয়া হলেও শেষ মুহূর্তে তা বাতিল করা হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার বারবার দেশে ফেরা বিলম্বিত হওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, তিনি বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। খোদ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেও চেয়ারপারসনের দেশে ফিরতে বিলম্ব হওয়া নিয়ে নানা কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে তারা বিলম্বের কারণ জানার চেষ্টা করছেন। তবে বিএনপির নীতিনির্ধারক ও লন্ডন সূত্রে জানা গেছে, শুধু চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণেই খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা বিলম্বিত হচ্ছে। অন্য কোনো কারণ নেই। ইতিমধ্যে তার একটি চোখে অপারেশন ও অন্য চোখে চিকিৎসা হয়েছে। ডাক্তাররা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখছেন। এই অবকাশে তিনি হাঁটুর চিকিৎসাও করাচ্ছেন। চিকিৎসকের পরামর্শেই তার দেশে ফেরার তারিখ পেছাতে হচ্ছে।

জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, চিকিৎসা শেষ করে শিগগিরই দেশে ফিরবেন চেয়ারপারসন। সেটা নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেও হতে পারে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর।

এমএইচ