২০ দলীয় জোট জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছে।
২০ দলীয় জোটের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ভীত হয়ে সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য গণহত্যা ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান।
আজ ১ মার্চ এক বিবৃতির মাধ্যমে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের দলীয় সন্ত্রাসী ক্যাডারদের অবৈধভাবে ব্যবহার করে দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশকে অকার্যকর ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছে।
সরকার গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে দেশে একদলীয় স্বৈরশাসন কায়েম করেছে। সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাগণ অগণতান্ত্রিক ভাষায় ২০ দলীয় জোটকে আক্রমণ করে মিথ্যা বক্তব্য দিচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব এইচ.টি. ইমাম ২৮ ফেব্রুয়ারী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রদত্ত বক্তব্যে ‘বিএনপি-জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন’ করার যে হুমকি দিয়েছেন আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলতে চাই, যারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার হুমকি দেয় তারাই একদিন নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
তিনি যে ভাষায় হুমকি দিয়েছেন এটা কি গণতন্ত্রের ভাষা না ফ্যাসিবাদের ভাষা? তার এ বক্তব্য থেকেই প্রমাণিত হয় যে, তারা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না। তারা বিরোধীদলকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা ২০ দলীয় জোটকে নিশ্চিহ্ন করে দেশকে রাজনীতি শূন্য করতে চায়। তাদের এ দুঃস্বপ্ন দেশের জনগণ কিছুতেই বাস্তবায়িত করতে দিবে না। দেশের জনগণের আন্দোলনে তারাই একদিন রাজনৈতিক দৃশ্যপট থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
সরকার ২০ দলীয় জোটের শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন দমন করার জন্য আজও রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য জেলা থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ ২০ দলীয় জোটের প্রায় আড়াই শত নেতা-কর্মীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। এভাবে গ্রেফতার অভিযান চালিয়ে গণআন্দোলন কখনো দমন করা যাবে না।
২০ দলীয় জোট ঘোষিত দেশব্যাপী গণঅবরোধ, হরতাল ও মিছিলসহ সকল কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সর্বাত্মক সফল করে অকার্যকর ও ব্যর্থ সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।”
এসএইচ





