আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার সারা অঙ্গে প্রতিহিংসা জড়িয়ে আছে। জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে রাজনীতি থেকে বিদায় নিন। তাহলেই হয়তো দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতি শেষ হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ, ন্যাপ ভাসানী ও কাজী আরেফ ফাউন্ডেশন আয়োজিত জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি শীর্ষক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসান মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে বলছে প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। এটা জাতির সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছুই না।
তিনি বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। তাই খালেদা জিয়াকে বলব আপনার সারা অঙ্গ থেকে, চিন্তা চেতনা থেকে প্রতিহিংসা বাদ দিন, তাহলেই সারা বাংলাদেশ প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে মুক্তি পাবে।
সাবেক এই বনমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হলেও বেগম খালেদা জিয়ার সেটি আনন্দের দিন। ১৫ আগস্ট তিনি কেক কাটেন । কারণ ১৫ আগস্ট না হলে তিনি দখলদার রাষ্ট্রপ্রতির স্ত্রী হতে পারতেন না। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।
তিনি বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল, তারা মনে করেছিল যে তাদের কোন বিচার হবে না। তারা আত্মঃঅহংকার করেছিল।
পৃথিবীতে কোন সরকার তাদের রাষ্টপ্রধানকে হত্যার বিচার করতে পারেনি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জাতীর কাছে অঙ্গিকার করে ছিলাম- আমরা যদি ক্ষমতায় যাই, তাহলে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করবো। আমরা বিচার করেছি। আমরা জাতীর কাছে অঙ্গিকার করতে চাই, যারা হত্যার পেছনে মদদদাতা ছিলেন তাদেরও বিচার করবো।
এসময় তিনি বলেন, প্রয়োজনে মরনোত্তর বিচার করে মেজর জিয়া কিভাবে এ হত্যার সাথে জড়িত ছিল সে বিষয়গুলো জাতীর সামনে খোলাসা করা হবে।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধো বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম ভূইয়া, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোসতাক আহমেদ ভাসানী প্রমুখ।
এমএ/ এআর





