‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন, যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। পরে তিনি জেনারেল থেকে রাজনীতিতে এসেছেন, স্টেটম্যান হয়েছেন এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারক হয়েছেন। সব দিক বিবেচনায় বিশ্বে কয়েকজন নেতার মধ্যে তিনি একজন।’ বলে মন্তব্য করেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেলে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি’র উদ্যোগে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জিয়াউর রহমানের দুই সন্তান তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ খালেদা জিয়া পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে বন্দি হওয়ার দিবসটি পালন উপলক্ষে এ ভার্চুয়াল আলোচনার আয়োজন করা হয়।
খসরু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিএনপি কখনো রাজনীতি করেনি। মুক্তিযুদ্ধের মাইলফলকগুলো সামনে আনা হলে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি বেশি লাভবান হবে।’
বিএনপির স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন- দলের স্থায়ী কমিটির খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জমির উদ্দিন সরকার, আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম প্রমুখ।
এইচএন





