আওয়ামী লীগ সভানেন্ত্রী শেখ হাসিনা তাসের ঘরের মধ্যে বসে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে অলি আহাদ স্মৃতি সংসদ আয়োজিত অলি আহাদ এর ২য় মুত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া নয় বরং শেখ হাসিনার পায়ের তলে মাটি নেই। নিজের কথা ভাবুন। বালুর চরে বসবাস করছেন। যার কোন ভিত্তি নেই। একবার জনগণের চোখের দিকে তাকিয়ে দেখুন আপনার প্রতি জণগণের লেশমাত্র মায়া নেই। জনগণ আর আপনাদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

তিনি বলেন, দেশে গণগন্ত্র আছে যারা এ দাবি করে তারা জ্ঞানপাপী। যে দেশে মানুষের অধিকারের কথা, সভা, মিছিল, মিটিং করতে পারে না তাহলে এটা কেমন গণতন্ত্র।

যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোমেন আলালের গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, বিনা অযুহাতে মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোদী মতের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। শুধুমাত্র রাজনীতি করার কারনে। আলাল ঘরের মধ্যে একটি নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করতে ছিলেন সেখান থেকে সকলকে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। এটা কোন গণতন্ত্রে পড়ে।

শেখ হাসিনা গনতান্ত্রিক বিশ্বকে মিথ্যা বলে গণতন্ত্র হত্যার আয়োজন করেছে বলে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র ধ্বংস করতে দ্বিতীয় ভারের মত পায়তারা করছে। ৭২-৭৫ সারে জাতিকে বিভক্ত করে গণতন্ত্র হত্যা করে বাকশাল কায়েম করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছিল।

নেতাতর্মীদের আহবান জানিয়ে ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার আহবানে আত্মত্যাগে মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে সকলকে গণতন্ত্র রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। সকলে মিলে একযোগে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুরতে হবে।
অলি আহাদের স্মৃতিচারন করে ফখরুল বলেন, অলি আহাদ অত্যান্ত উচুমানের নেতা ছিলেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকেই দেশের রাজনীতি, সমাজ ও মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন। তিনি যা বিশ্বাস করতেন তা সাহসের সাথে অকপটে বলতেন। তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে ১৪৪ ধারা জারি ভঙ্গ করে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর এমাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শসসের মবিন চৌধুরী, প্রবীন আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক, গণস্বাস্থের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসসচিব সারুফ কামাল খান সোহেল প্রমুখ।

এমএইচ/জেআই