স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বিএনপির সমালোচনা করে বলেছেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে আসেন আমরা আপনাদের সহযোগিতা করব। ১৯ সালের একদিন আগেও নির্বাচন হবে না। কাজেই নির্বাচনের কথা বলে লাভ নেই। আপনাদের চরিত্র বাংলাদেশের জনগণ জানে।

আপনারা কি পরিমান দেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছেন তা সবাই দেখেছে। আপনারা শুধু কথায় কথায় সরকারকে হুমকি দেন, সাহস থাকে তো হাজার হাজার জনগণ সাথে নিয়ে রাস্তায় নামেন। পুলিশ এমনি পালিয়ে যাবে। আন্দোলন করলে বীরের মতো করুণ।’

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এ সভার আয়োজন করে।

সমিতির সভাপতি প্রফেসর শহীদুল্লাহ্ সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর শাহ্ আজম শান্তুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও রাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল ইসলাম ঠান্ডু।

সভায় মোহাম্মদ নাসিম জাতীয় চার নেতার সম্পর্কে বলেন, জাতীয় চারনেতা বঙ্গবন্ধুর সাথে এক পরিবারের মতো ছিলেন। তারা একে অপরের বন্ধুর মতো ছিলো। তাদের মধ্যে কখোনও সামান্যতম বিরোধ হয়নি।

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথে নেতৃত্ব দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছিলেন এই চার নেতা। তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ে তোলার সময় বঙ্গবন্ধুর ছায়ার মতো ছিলেন। তাদের মধ্যে যে বোঝাপড়া ছিল তা কল্পনা করা যায় না।

আলোচনা সভায় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি জোহা দিবসকে জাতীয়করণের দাবি জানালে, তিনি এই দিনকে জাতীয় শিক্ষক দিবসের প্রস্তাব মন্ত্রী সভায় উত্থাপনের আশ্বাস দেন।

সভায় খায়রুজ্জামন লিটন বলেন, যারা এ দেশে শাসনের নামে শোষণ চালিয়েছে তারা ১৯৭১ সালের পরাজয় মেনে নিতে পারেনি।

তাই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালিরা যেদিন স্বাধীন হয়েছিল সেদিন থেকেই চক্রান্ত শুরু হয়। ১৯৭৫ সালের সেই চক্রান্তেরই পরিণতি দেন বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় চার নেতাকে হত্যার মাধ্যমে।

আশিক/এমবি