রাজনৈতি সম্প্রীতির উজ্জল দৃষ্টান্ত ছিলেন সদ্যপ্রয়াত চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।
রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকলেও সব দলমতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সখ্যতা ছিল। বিপদ-আপদে সবার পাশে দাঁড়াতেন তিনি।
২০১৫ সালের জানুয়ারিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুর পর রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন মহউদ্দিন চৌধুরী।
ওই বছরের ২৭ জানুয়ারি বাদ জোহর চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে কোকোর গায়েবানা নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নিয়েছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী।
দেখা যায়, জানাজার নামাজের প্রথম কাতারে দাঁড়ান মহিউদ্দিন। একই কাতারে তার পাশে ছিলেন চট্টগ্রামের তৎকালীন মেয়র এম মনজুর আলম, বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, নগর শামসুল আলম, আবু সুফিয়ান, জাহাঙ্গীর আলম, শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, কাজী আব্দুল্লাহ আল হাসান ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এনামুল হক।
অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও কোকোর জানাজায় আওয়ামী লীগের এ নেতার অংশগ্রহণের খবর ওই সময় সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রচারিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো।
এমবি





