আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাসান মাহমুদ খন্দকার বলেছেন, আমরা প্রত্যশা করেছিলাম আদালত যুদ্ধাপরাধের দায়ে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখবে। কিন্তু আদালতের আপিল বিভাগ তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়ায় আমরা মর্মাহত হয়েছি।

তিনি বলেন, তবে আদালতের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এ রায় আমরা মেনে নিয়েছি। কিন্তু যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াত আদালতের রায় মেনে না নিয়ে হরতাল ডেকেছে।

বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত হরতাল বিরোধী সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাসান মাহমুদ বলেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল ডাকা মানে আদালতের বিরুদ্ধে হরতাল ডাকা। যা আদালত অবমাননার শামিল।

তিনি বলেন, নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে জামায়াত এ হরতাল আহবান করেছে। আওয়ামীলীগ নৈরাজ্যে সৃষ্টিতে বিশ্বাসী না। যে কোনো মূল্যে জামায়াতের নৈরাজ্যের হরতালকে প্রতিহত করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রত্যাশা করেন তারাও বিশ্বাস করতে পারেননি যে স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর যুদ্ধাপরাধের বিচার হবে। শেখ হাসিনা কথা দিয়ে সে কথা রেখেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধী সংগঠন জামায়াত হরতাল ডাকার পর বিএনপি’র পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এর মানে হলো মৌনতাই সম্মতির লক্ষ্যণ। বিএনপিকেও একই অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায়।

জিয়াউর রহমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে স্বাধীনতার যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু পক্ষান্তরে জিয়া বাংলাদেশের জন্য নয় পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করেছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাধীনতা পরিষদের সভাপতি জিন্নাত আলী খা, শিক্ষক নেতা শাহজাহান সাজু, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি ফাতেমা জলি সাথি।, সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ব্যারিস্টার সোহরাব খান চৌধুরী।

ঢাকা, জেইউ, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনউজবিডি.কম, এআর, এএইচ