সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশের মঞ্চে উঠেছেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ও বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদ। এরআগে দুপুর ২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয় এ সমাবেশ।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ টার দিকে তিনি মঞ্চে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে জাতীয় পার্টির ২৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্বোধন করেন।

 

মঞ্চে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জিএম কাদের, মশিউর রহমান রাঙা, মুজিবুল হক চুন্নু, ঢাকা দক্ষিণ জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ হান্নান এমপি, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, জাপার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, সালমা ইসলাম এমপি, এসএম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সুনীল শুভরায় প্রমুখ।

 

এ সমাবেশের মাধ্যমে রোডম্যাপ ঘোষণা করতে চায় জাতীয় পার্টি। প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্থা চালু করা ও নির্বাচন পদ্ধতির সংস্কার করে ব্যক্তির পরিবর্তে দলকে ভোট দেওয়ার বিধানের দাবি জানাবে দলটি।

 

সভায় সভাপতিত্ব করছেন, মহাসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। মঞ্চে প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংসদ সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

 

প্রধান মঞ্চের কয়েকফুট দূরে (পূর্বে) নির্মাণ করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ। এই মঞ্চে সকাল থেকেই গণসংগীত ও দেশাত্ববোধক গান পরিবশন করা হয়।

 

মঞ্চের সামনে ১০ হাজার চেয়ার দেওয়া হয়েছে মহিলা পার্টি ও ঢাকার বাইরে থেকে আসা কর্মীদের জন্য। আর মাইক দেওয়া হয়েছে উত্তর-পশ্চিমে শাহবাগ, দক্ষিণ-পূর্বে কদম ফোয়ারা, মৎস্যভবন ও কাকরাইল পর্যন্ত।

 

সমাবেশে রাজধানীর আশপাশের জেলা নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, ফেনী ও মানিকগঞ্জ জেলা নেতা-কর্মীদের সামবেশে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টির সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি জানান দিতে চাইছে।

 

জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু স্বাগত বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অবসান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় পার্টির জন্ম হয়েছিল। এ দল সন্ত্রাসী কার্যক্রমে বিশ্বাস করে না। আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি, নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে বিশ্বাস করি।

সমাবেশ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে প্রচারণার পাশাপাশি পোস্টার লিফলেট ও ব্যানার লাগানো হয়েছে। সমাবেশের জন্য কয়েক কোটি টাকার বাজেট করা হয়েছে বলে জাতীয় পার্টি সূত্র জানিয়েছে।

 

জেএ