আওয়ামী লীগে ‘কাউয়া’ ঢুকেছে বলে আবারও মন্তব্য করলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘সব খাঁটি মানুষ, খাঁটি কর্মী! ভেতরে ভেতরে কাউয়া (কাক) আছে? কাউয়া, কাউয়া। একাত্তরেও ছিল কাউয়া। কাউয়ারা এখনো আছে। ক্ষমতার সঙ্গে কাউয়া ঢুকে যায়। আর কিছু কিছু নেতা দল ভারী করার জন্য কাউয়াদের লিস্টের মধ্যে নাম ঢুকিয়ে দেয়।’

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর লালবাগের আজাদ মাঠে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

২২ মার্চ সিলেটে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভায় কাউয়া কারা, এর একটি ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের। ওই প্রতিনিধি সভায় কাদের বলেন, ‘প্রচার লীগ, তরুণ লীগ, কর্মজীবী লীগ, ডিজিটাল লীগ, হাইব্রিড লীগ আছে। কথা হাছা, সংগঠনে কাউয়া ঢুকছে। জায়গায় জায়গায় কাউয়া আছে। পেশাহীন পেশিজীবী দরকার নেই।’

জানা যায়, বিভিন্ন সংগঠনের নামের শেষাংশে ‘লীগ’, প্রথমাংশে ‘বঙ্গবন্ধু’, ‘বঙ্গমাতা’, ‘জননেত্রী’ রয়েছে, এদের কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতারা যান। অনেক সময় তাঁরা সরাসরি বা নেপথ্যে থেকে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। নানা সময়ে এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে দলটির নেতারা কথা বললেও তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, মোজাফফর হোসেন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ।

জারিফ