বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেছেন, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সারা দেশে যুবদলের ৯১জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। রাজপথে হরতাল-অবরোধ চলাকালে পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্বিচার গুলিবর্ষণে এসব নেতাকর্মী নিহত হয়েছে বলেও তিনি দাবী করেন।
শনিবার বিকালে দলের নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এসময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে অসংখ্য নেতাকর্মী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। এমনকি নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রহসণের নির্বাচন থেকে জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সরকার দলীয় বাহিনী দিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। সারাদেশকে হত্যাযজ্ঞ ও কসাইখানায় পরিণত করে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার লিপসায় লিপ্ত রয়েছে।
ইনকিলাব পত্রিকা বন্ধ প্রসঙ্গে যুবদলের এ নেতা বলেন, সরকার বলেন তারা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আবার সত্য কথা প্রকাশ করলে সংবাদপত্র বন্ধ করে দেন। এর মাধ্যমে তারা কি বুঝাতে চাচ্ছেন তা তারা নিজেরাই জানেন।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে ভাষায় কথা বলেন একজন ভদ্রলোক কখনো এ ভাষায় কথা বলতে পারেন না।
গণতন্ত্র সুরক্ষায় ফিরিয়ে আনতে জাতীয়তাবাদী যুব দলের পক্ষ থেকে এসময় তিনি ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন।
দাবিগুলো হল: ১. প্রহসণের নির্বাচনে নির্বাচিত অবৈধ সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন, ২. বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্য প্রণোদিত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য বন্ধ, ৩. তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ৪. বিএনপির সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি, ৫. যুবদলের নেতা-কর্মীদের নামে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ৬. যুবদলের ৯১ জন নেতা-কর্মীর হত্যার সাথে জড়িত পুলিশ-বিজিবি ও আওয়ামী ক্যাডারের খুজে বের করে তদন্ত পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রদান এবং ৭. যুবদলের নেতা-কর্মীদের হত্যা-হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট করে যে ক্ষতিসাধন করা হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ সরকারকে দিতে হবে।
কর্মসূচি মধ্যে রয়েছে, ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার সারা দেশে নিহত যুবদল নেতাকর্মীদের রূহের মাগফিরাত কামনায় মসজিদ, মন্দির ও প্যাগোডায় দোয়া দিবস।
২ ফেব্রুয়ারি রোববার যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সকল নেতাকর্মীর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও গুম-হত্যা, ভাংচুর, হামলা এবং নির্যাতনের প্রতিবাদে মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, সহ-সভাপতি এ টি এম আব্দুল বারী ড্যানী, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।
ঢাকা, ২৫ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএইচটি // এসআর
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে যুবদলের ৭ দফা দাবী ও দুই দিনের কর্মসূচি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেছেন, চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সারা দেশে যুবদলের ৯১জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। রাজপথে হরতাল-অবরোধ চলাকালে পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নির্বিচার গুলিবর্ষণে এসব নেতাকর্মী নিহত হয়েছে বলেও তিনি দাবী করেন।
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















