আজ যারা স্বাধীনতার চেতনার দাবি করছেন তাদের মধ্যে নামে মাত্র আদর্শ আছে, আবার সেই আদর্শ দিয়ে তারা বিভিন্ন ধরণের অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সতীশ চন্দ্র রায়।
রবিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন আয়োজিত 'বঙ্গবন্ধু হত্যা পরবর্তী রাজনীতি ও শেখ হাসিনা' র্শীষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সতীশ চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন।
সতিশ চন্দ্র রায় বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এদেশ স্বাধীন করেছে। তাদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু আদর্শ ছিল অনেক খানি বেশী, আজ যারা নিজেদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দাবিদার বলে দাবি করছেন, তাদের কাছে নামে মাত্র আদর্শ বর্তমান আছে।
এরা দলের নামে বিভিন্ন চাঁদাবাজিতেও জড়িয়ে পড়ছে। এদের যদি চিহ্নিত করা না হয়, তাহলে ভবিষৎতে আওয়ামী লীগের বিরাট ধরণের দূর্ভোগ পোহাতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি মশিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনে কাজ করার পর দেখলাম, গ্রামে গ্রামে আজ জামায়াত-শিবিরের ছেলেরা আমাদের কোমলমতি সন্তানদের বিভিন্নভাবে মোটিভেশণ করে তাদের দলে নিয়ে যাচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখের বিষয়। তাই এদের নিয়ে কাজ করতে বঙ্গবন্ধু ফউন্ডেশন গঠিত হয়েছে।
আজ ১৪ বছর এ ফউন্ডেশনে কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, বঙ্গবন্ধুর নামে অনেক সংগঠন করে প্রতিষ্ঠা করে তারা আজ চাঁদাবাজিতে লিপ্ত। কিন্ত কেউ বলতে পারবে না বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কোন নেতা কর্মী কারো কাছে কোন তদবীর করেছে, কোন অসৎ উপায় অর্জনের জন্য কারো দারে দারে ঘুরেছে।
বর্তমান অবস্থার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশে একটা দল পাকিস্তান রেডিওর মত রেডিও বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। জিন্দাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
তাই আমি বলব, তাদের দমনের জন্য সরকার আজ যে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা অব্যাহত থাকুক। তাহলেই আমাদের দেশে পুনরায় শান্তি ফিরে আসবে।
আজ হাইব্রিড আওয়ামী লীগের নামধারী লোকেরা দলের ভিতর প্রদেশ করে দলকে বিতর্কিত করছ। এদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হব।
বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি এড. মশিউর মালিকের সভপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিসিআইসি এর সাবেক এমডি শেখ মো: ওয়াফেস, অরুন সরকার রানা, বাংলাদেশ আওযামী লীগের উপ-কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলরাম পুদ্দার প্রমূখ।
এমএ/এআই





