জাতীয় পার্টির সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মহাসমাবেশ দুপুর ২টায় শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগেই সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে দলটি।

বুধবার গভীর রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চ তৈরি করতে দেখা গেছে। উদ্যানের ঠিক মাঝ মাঠে (লাইট হাউসের দক্ষিণে) উত্তরমুখী করে বিশাল আকারের মঞ্চ (দৈঘ্য ১০০ ফুট প্রস্তু ৩০ ফুট) তৈরি করা হয়।

মঞ্চেও আনা হয়েছে ভিন্নমাত্রা। দ্বিতল বিশিষ্ট মঞ্চটির সামনের দিকের অংশ থাকছে ১ ফুট নিচু। যাতে পেছনের সারির নেতাদের স্পষ্ট দেখা যায়। মঞ্চে প্রেসিডিয়াম সদস্য, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যায়।

প্রধান মঞ্চের কয়েকফুট দূরে (পূর্বে) নির্মাণ করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ। এই মঞ্চে সকাল থেকেই গণসংগীত ও দেশাত্ববোধক গান পরিবশন করবেন শিল্পীরা।

মঞ্চের সামনে ১০ হাজার চেয়ার দেওয়া হয়েছে নারীকর্মী ও ঢাকার বাইরে থেকে আসা কর্মীদের জন্য। আর মাইক দেওয়া হয়েছে উত্তর-পশ্চিমে শাহবাগ, দক্ষিণ-পূর্বে কদমফোয়ারা, মৎস্যভবন ও কাকরাইল পর্যন্ত।

গভীর রাতে সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, সাবেক প্রচার সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মিলন, যুব সংহতির সহ-সভাপতি সৈয়দ জাফর আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক কাজী শামসুল আলম রঞ্জন।

রেজাউল ইসলাম ভূইয়া জানান, স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ হবে জাতীয় পার্টির এই মহাসমাবেশ। এখানে জনতার ঢল নামবে। আমরা আশা করছি ১০ লাখের মতো জনসমাগম হবে।

চিরাচরিত মহাসমাবেশের মতো এই মহাসমাবেশ থেকে কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে না। সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে কর্মসূচি ঘোষণা করবেন পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। এতে নতুনত্ব থাকছে বলেও জানান জাপার এই নেতা।

সমাবেশে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী জেলা নারায়নগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, ফেনী ও মানিকগঞ্জ জেলার নেতাকর্মীদের সামবেশে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সমাবেশ উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাজধানীসহ সারাদেশে প্রচারণার পাশাপাশি পোস্টার লিফলেট ও ব্যানার টানানো হয়েছে। সমাবেশের জন্য কয়েক কোটি টাকার বাজেট করা হয়েছে বলেও জাতীয় পার্টি সূত্র জানায়।

এএইচ