প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী গীল সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজী, নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া সব মামলা থেকে মুক্ত। অতীতের দায়ের হওয়া ১৫ মামলার অভিযোগ থেকে প্রধানমন্ত্রী হাসিনা অব্যাহতি পেয়েছেন।
জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫ মামলা সাবেক চার দলীয় জোট সরকার এবং ওয়ান ইলেভেনের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর ৩ মামলা দায়ের করেন; ব্যবসায়ি নুর আলী, ব্যবসায়ি আজম জে চৌধুরী এবং ব্যবসায়ি তাজুল ইসলাম। সেনানিবাসে অনুমতি না নিয়ে প্রবেশ সংক্রান্ত মামলা। পরে তারা আদালতে আবেদন জানিয়ে মামলাগুলো বাদী নিজেরা প্রত্যাহার করে নেন।
২০০৬ সালে ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে লগি বৈঠা নিয়ে আওয়ামী লীগ ও প্রতিপক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ এবং হত্যাকান্ডের ঘটনায় পলটন থানা পুলিশ একটি মামলা দায়ের করে।পরে এ মামলাটি আদালতে আবেদন জানিয়ে প্রত্যাহার করে নেয় পুলিশ।
জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশন পৃথক ১০ মামলা দায়ের করে। পরে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট সরার ক্ষমতায় আসার দুদকের করা ওই ৭ মামলা হাইকোর্টে শুনানি করে রায়ের মাধ্যমে বাতিল করা হয়।
এছাড়া হাইকোর্টে শুনানি শেষে রায়ের মাধ্যমে বাতিল হওয়া মামলার মধ্যে রয়েছে; মিগ-২৯ যুদ্ধ বিমান ক্রয়' সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা। ফ্রিগেট ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা। ভাসমানবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন (বার্জমাউন্টেট) দুর্নীতি মামলা। নাইকো গ্যাস উত্তোলন সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা। বেভজা দুর্নীতি মামলা। মেঘনা ঘাট মামলা এবং বঙ্গবন্ধুর মাজার সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা।
'বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার' দুর্নীতি সংক্রান্ত পৃথক ৩টি মামলা শুনানি শেষে ২০১২ সালের ৪ মার্চ বাতিলের রায় প্রদান করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ ৩ মামলা প্রসঙ্গে দুদকে কিছু নির্দেশনা দেয় হাইকোর্ট।
আর ওই নির্দেশনা মোতাবেক দুদক চলতি বছর ২২ জানুয়ারি 'বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার' দুর্নীতি সংক্রান্ত ৩ মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট দাখিলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করেছে।
ওই মামলায় হাইকোটের্র রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দুদক কর্মকর্তারদর সিদ্ধান্ত না পাওয়া দুদকের প্যানেল আইনজীবী আর আবেদন (আপিল) করেননি বলে জানা যায়।
এদিকে নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের জনৈক কর্মকর্তা বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা দেখিয়ে দুদক আপিল করেনি। ফলে হাইকোর্টের রায়ই বহাল রয়েছে।
একে





