সরকার পাকিস্তানিদের দোসর জামায়াতকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের একাংশের নেতারা।

তারা বলেন, বর্তমান সরকার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ক্ষমতায় আসার পর থেকে জামায়াতের সঙ্গে আপোসের চেষ্টা করছে। বুধবার যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়ে সেটি প্রমাণ করেছে। এর মাধ্যমে সরকার ত্রিশ লাখ শহীদের সঙ্গে বেঈমানী করেছে।

জামায়াতের ডাকা হরতালের প্রতিবাদে এবং দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘শাহবাগ আন্দোলন’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন।

মিছিলটি শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে শুরু হয়ে কাটাবন এবং রূপসী বাংলা হোটেলের সামনে দিয়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিভিন্ন বাম সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি শামছুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘আমরা এই রায় প্রত্যাখ্যান করছি। সরকারের আপোসের মাধ্যমে এই রায় দেয়া হয়েছে। বাংলার জনগণ কখনো এ রায় মেনে নেবে না। রায়ের মাধ্যমে বাংলার মানুষের সঙ্গে বেঈমানী করা হয়েছে।’

ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি বাপ্পা দিত্য বসু বলেন, ‘বুধবার সরকার আমাদেরকে একটি আপোসের নাটক দেখিয়েছে। আমরা জানি না কোথা থেকে কি হয়ে গেলো। আমাদের আইন বোঝার দরকার নেই। আপনারা ভালো বোঝেন। তাই রায় রিভিউ করে অতি শিগগির সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করুন।’

তিনি বলেন, ‘জামাতের আগের হরতাল গুলোতে আওয়ামী লীগের নেতারা রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে অবস্থান নিতো। কিন্তু আজকে তারা কোথায়? আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আন্দোলন ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।’

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহবাগ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক মিঠু, জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ আলী সাজু।

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই