খাদ্যমন্তী এড. কামরুল ইসলাম বলেন, আজ আদালতে খালেদা জিয়ার হাজিরা ছিলো। কিন্তু তিনি নিরাপত্তার অজুহাতে হাজিরা দিতে যাননি। অথচ ভোট চাইতে যখন নেমেছেন তখন কোন নিরাপত্তা লাগেনি।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কন্ফারেন্স হলে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘‘পেক্ষাপট’’ চলমান রাজনীতি র্শীষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, 'যতই চেষ্টা করেন, আপনার বিরুদ্ধে এবং আপনার ছেলের বিরুদ্ধে যতগুলো মামলা আছে সবগুলোর বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর'।

তিনি বলেন, বিএনপি একের পর এক ভূল করে যাচ্ছে, তারা কৌশল হিসেবে সিটি নির্বাচনে এসেছিল। কিন্তু ৩ ঘন্টার মধ্যে নির্বাচন থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্ঠা করেছিল। তারা সফল হয়নি। আজ দেশের ভাবমূর্তিকে তারা দেশের বাইরে কলূষিত করার চেষ্ঠা করছে বিএনপি।

কামরুল ইসলাম বলেন, 'আপনার এবং আপনার ছেলের নামে যে মামলা আছে, তাতে যদি দোষি সাব্যস্ত হন তবে ভাগ্যে যা আছে তাই হবে। কেউ আপনাদের বাচাঁতে পারবে না'।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, দলটি যে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করছিল তাতে দেশের সাধারণ মানুষ ও বিদেশীদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। তাই সিটি নির্বাচনে অংশ নেয়ার মধ্য দিয়ে এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসেছেন। নির্বাচনের পর আবার সেই ধ্বংসাত্মক রাজনীতির পথে ফিরে যায়নি বলে বিএনপিকে ধন্যবাদও জানান তিনি। এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন আজকের বিএনপিকে জীবিত রেখেছে সাংবাদিকরা। তারা বলে বিএনপি মাঠে আছে। কিন্তু তাদের খুজে পাওয়া যায় না।

হেফাজতে ইসলামের বিষয়ে তিনি বলেন, আজকের এই দিনে সৃষ্টি হয়েছিল হেফাজতে ইসলামের ধ্বংসযজ্ঞ। অথচ মাত্র দুই বছরের মাথায় তাদের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না। এরা মূলত বিএনপি-জামায়াতের কাঁধে সওয়ার হয়ে জন্ম নিয়েছিল। এরা পরগাছা। পরগাছারা বেশীদিন বাঁচেনা।

তিনি বলেন, বিএনপির অবস্থাও একদিন এই পরগাছা হেফাজতের মত হবে।

আলোচনা সভায় সংগঠনের উপদেষ্ঠা এড.জাহাঙ্গীর আলম খানের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এমএ করিম, সংগঠনের সভাপতি জিন্নাত আলী খান জিন্নাহ, সঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই কানু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এমএ/এমকে