বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের জেরা শেষ করেছে মেঘালয় পুলিশ। শিগগির তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হবে। তার বিরুদ্ধে ফরেনার্স অ্যাক্ট লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে আজ শুক্রবার জামিন শুনানির কথা রয়েছে এই বিএনপি নেতার।
ইস্ট খাসি হিলস জেলা পুলিশ সুপার এম খারক্রাঙ সংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জেরা শেষ করেছি। আশা করছি দ্রুত চার্জশিট জমা দিতে পারবো।’
তবে জেরায় কি তথ্য পাওয়া গেছে তা জানাতে রাজি হননি পুলিশের এই কমকর্তা।
দুই মাস ‘নিখোঁজ’ থাকার পর ১১ মে ভারতের শিলংয়ে উদভ্রান্ত অবস্থায় সালাহ উদ্দিন আহমেদের খোঁজ পাওয়া যায়। তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পাঠানো হয় নেগ্রিমস হাসপাতালে।
বুধবার সালাহ উদ্দিন আহমদকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায়। এর পরেই তিনি আবার অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে আবার হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সালাহ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার হাসপতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর বুধবার দুপুরে সালাহ উদ্দিন আহমদকে স্থানীয় আদালতে তোলা হয়। আদালত তাকে দুই সপ্তাহের আইনী হেফাজতে (কারাগারে) পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু বুধবার রাতে শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়ায় তাকে আবারো নেগ্রিমস হাসপাতালে নেয়া হয়।
জানা গেছে, সালাহ উদ্দিন আহমেদ বুকের ব্যথার পাশাপাশি নতুন করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। সালাহ উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা আহমেদের বরাত দিয়ে একটি সূত্র জানায়, সালাহ উদ্দিন আহমদের জামিন চেয়ে তার স্ত্রীর আবেদনের শুনানি আজ শুক্রবার স্থানীয় আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।
আবেদনে তাকে তৃতীয় কোনো দেশে চিকিৎসার সুযোগ দেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সালাহ উদ্দিনের পরিবার তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করাতে চায়।
গত ১০ মার্চ রাজধানীর উত্তরার একটি বাড়ি থেকে সালাহ উদ্দিনকে তুলে নেয়া হয় বলে তার পরিবার দাবি করে আসছে।
হাসপাতালে সালাহ উদ্দিন স্ত্রীকে জানান, তিনি স্বেচ্ছায় ভারতে ঢোকেননি। চোখ-হাত বেঁধে তাকে শিলংয়ে ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
এমএইচ





