গত কয়েক বছরে বিএনপির এক হাজার নেতাকর্মীদের খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন  দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও ৫’শ গুম, সহস্রাধিক পঙ্গু, লাখ লাখ মামলা ও হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে আছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস দিয়ে জঙ্গিবাদ বন্ধ হবে না। সবাই মিলে ঐক্য গড়ে তুলে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করতে হবে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি সাগর-রুনী মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী হেল্প সেল  আয়োজিত এক আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

অনুষ্ঠানে বিগত আন্দোলন গুম, খুন ও নিগ্রহের শিকার ৫ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন,  এখন দেশে আইনের শাসন নেই। গণতন্ত্রের কথা মুখে বললেও গতন্ত্রের লেশমাত্রও নেই। গণতন্ত্রকে কবরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে এখন মানবাধিকার রাষ্ট্রের বাইরে। দেশ ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। সত্যিকারে অর্থে দেশে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে।

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বিএনপি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানালেও সরকার এতে সাড়া দেয়নি বলে জানান বিএনপির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে সভ্য পৃথিবীতে সবার চোখের সামনে ঘটনাগুলো ঘটছে, অথচ বাংলাদেশ ও বিশ্ব বিবেক আজকে নিশ্চুপ।

তিনি বলেন, উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ সদস্য সমাধানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিঃস্বার্থভাবে জাতীয় ঐক্যে ডাক দিয়েছেন। কিন্তু সরকার তা কর্ণপাত করেনি, প্রত্যাখ্যান করছে। জাতীয় ঐক্য হলে সরকার তাতে সুবিধা পাবে না। তাই তারা সব কিছুকে রাজনৈতিকভাবে দেখছে।

আয়োজক সংগঠনের সিনিয়ির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান খান, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসান, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান প্রমুখ।

এমবি