মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হক বলেছেন, আমরাও এ কে খন্দকারকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে থাকা অবস্থায় চিনতে পারিনি। ১৯৭১‘র ভিতরে বাইরে বইয়ে এ কে কন্দকার তার মুখোশ উন্মোচন করেছেন।
তিনি বলেন, এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এদেশে ছিলেন না। তারপরও তিনি কি করে তার বইতে বঙ্গবন্ধুকে বিকৃত করার জন্য উপস্থাপন করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ আওয়ামী মটরচালক লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ বিক্ষোভ পূর্ব এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ইতিহাস বিকৃতিকারী এ কে খন্দকারকে শুধু সেক্টর কমান্ডর থেকে বাদ দিলে হবে না। তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ড. আবদুল সোবহান গোলাপ বলেন, ওই সময় যদি খন্দকার মোস্তাক ও জিয়াউর রহমানের বিচার করা হতো তবে আজ এ কে খন্দকার বাংলাদেশের ইতিহাসকে বিকৃতি করতে পারত না।
এ সময় তিনি খন্দকার মোস্তাক ও জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেন।
মটরচালক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো আসলাম উদ্দীনের সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য রাখেন-মটরচালক লীগের উপদেষ্টা সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম।
পরে সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ-মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ গিয়ে শেষ হয়।
ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





