বাংলাদেশে একমাত্র খারাপ লোক আমি, তারপরে শেখ হাসিনা। আর সবাই ফেরেস্তা। আমি দুর্ব্যবহার করি। মহারাজের মতো আচরণ করি। পত্র-পত্রিকাওয়ালারা লেখে। লিখলে কি হবে? যে অপমান সইতে পারে তার জন্য এটা কিছু না, সে সফল হবেই।

বুধবার জাতীয় জাদুঘরে ‘তিন সুতার অর্থনীতি এবং দারিদ্র্য বিমোচনে আইটি’ শীর্ষক সেমিনারে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এ কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে সাপ্তাহিক ধাবমান।

প্রাইভেট অপারেটরদের ভিওআইপি ব্যবসার চিত্র তুলে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, আমার কাছে ৪৭ হাজার পৃষ্ঠার লংশিফট কাগজ আছে। বিটিআরসির মাধ্যমে আমাদের দেশের ছেলেরা ১৭ শতাংশ ভিওআইপি করতে পারে। বাকি সব প্রাইভেট অপারেটররা করে। আমি এগুলো নিয়ে বললে বলে আমি খারাপ। আইজিডব্লিউ, আর জিএক্স-এর ব্যবসা যত বিত্তবান সবার আছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ইউনিয়ন তথ্য সেবা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলে। এ দিয়ে হবে না। উপকরণ ছাড়া যুদ্ধ হয় না। উপকরণ ছাড়া আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করে ফেলেছি। আমাদের উপকরণ যোগাড় করতে হবে আগে। এখানে আসল জিনিস বা মূল সুযোগটা থেকে আমাদের বঞ্চিত করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, আজ পার্লামেন্টে কঠিন কিছু বলার প্রস্তুতি নিয়েছি। ইন্টানেটের স্পিড বাড়াতে পারলে আমাদের জিডিপি গ্রোথ বাড়বে। এদিকে সবার নজর দিতে হবে।
তিনি বলেন, ল্যাপটপে পড়বে ছেলে-মেয়েরা। একটা ল্যাপটপ দিলে ছয়-সাত বছর চলবে। আর আর দোয়েল হলে ৬ মাসও যাবে না। ল্যাপটপ আর বইয়ের দামের হিসাব করলে সমাধান বেরিয়ে আসবে।

তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, ত্রাণ মন্ত্রণায়লয়ে এমপিদের কোটার গমের টাকা ছেলে-মেয়েদের দিলে কাজ হবে। আমি আমার এলাকায় তাই করেছি। এ পর্যন্ত সাড়ে সাতশ’ কম্পিউটার দিয়েছি। বিশ হাজার দেওয়ার চিন্তা করছি। তাহলে, আমাদের ভোটের বিষয়টা হয়ে যাবে। আমি ভোট আনতে চাই প্রেমে।

তিনি বলেন, আমি ব্যর্থ হলে জ্বালা মেনে নেব। গ্লানি সয়ে যাবো। সময় একটু দিতে হবে শেখ হাসিনাকে। কারণ তাকে ছাড়া কিছু কল্পনা করা যায় না।

সাপ্তাহিক ধাবমানের সম্পাদক রাজু আহমেদ মামুনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন রূপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহমদ আল কবির, আইটি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার, গ্রামীণফোনের চিফ অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসাইন প্রমুখ।

ঢাকা, ২৫ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসএইচ//এনএস