বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথে দেখলে পিঠের চামড়া তুলে নেয়া হবে আইনমন্ত্রী কামরুল ইসলামের এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী দিনে জনগণের আন্দোলনেই বুঝতে পাবেন কার পিঠের চামড়া ওঠে।
রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা দলের অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ‘দেশের বর্তমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপির অন্যতম অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল।
তিনি আরও বলেন, এই হল আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের ভাষা। তারা দেশের গণতন্ত্রের ওপর বারবার আঘাত করেছে। ১৯৭৪ সালে বাকশাল কায়েম করে তারা দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছিল। এখন আবার অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসে গণতন্ত্রকে হত্যা করছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, অবৈধ সরকার জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করতে চায়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, সময় এসেছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে দ্বিতীয়বার মুক্তিযুদ্ধ করে দেশের গণতন্ত্রকে পুণপ্রতিষ্ঠা করার। সেই আন্দোলনে মুক্তিযোদ্ধাসহ দেশ প্রেমিক জনগণকে শরীক হওয়ার আহ্বান জানান।
মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান, শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধূরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর (অব.) সৈয়দ মুহামম্দ ইব্রাহিম, বিএনপির প্রচার বিষয়ক সম্পাদক জয়নুল আবদিন ফারুক, অর্থনীতি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক শফিউজ্জামান খোকন, মুক্তিযোদ্ধা সাদেক খান প্রমুখ।
এছাড়া আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন-ঝালুকাঠি থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সিদ্দিক, ঢাকা থেকে আব্দুর রাজ্জাক, নারায়ণগঞ্জ থেকে নূর হোসেন, ফরিদপুর থেকে শাহজাদা মিয়া, কুষ্টিয়া থেকে বাবুল আহমেদ, মাদারিপুর থেকে জাহাঙ্গীর হোসেন, বগুড়া থেকে আব্দুল কাদের, রংপুর থেকে মোজাফ্ফর হোসেন, চট্টগ্রাম থেকে কামাল উদ্দীন, টাঙ্গাইল থেকে শরিফুল ইসলাম শাজাহান, গাজীপুর থেকে আলী আকবর, রাজশাহী থেকে নূর হামিদ রিজভী বীর প্রতীক, মুঞ্চিগঞ্জ থেকে মীর মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর থেকে শাহবুদ্দিন আহমেদ, দিনাজপুর থেকে সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন মানিক, শরিয়তপুর থেকে শহীদ পারভেজ ও শেরপুর থেকে ফরিদুর রহমান ফরিদ, ঢাকার চৌধুরী আবু তালেব প্রমুখ।
এমএইচ/এসএইচ





