আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, বোমা হামলা কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি হতে পারে না। যারা বোমা মারে তারা সন্ত্রাসী। এদেরকে যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই তাদের হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে যুবলীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

গত ২ নভেম্বর যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর বাসভবনে বোমা হামলার প্রতিবাদে বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান। 

হানিফ বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের জন্যই যুবলীগের চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। যারা এই হামলা চালিয়েছে, তাদেরকে স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই- যতই চেষ্টা করেন না কেন বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করা হবে। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষকে কথা দিয়েছেন।

পাকিস্তানের স্বরারাষ্ট্রমন্ত্রীকে হুশিয়ারি দিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, যুদ্ধাপরাধী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর রায়ের পর পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বিচার বন্ধের দাবি জানিয়েছে। আমি তাকে স্পষ্ট করে বলতে চাই। একটি স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যপারে কথা বলার আগে সতর্ক হবেন। এটা ‌’৬৯ বা ‌’৭১ সাল নয়। এখন ২০১৪ সাল।  

তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদে অংশগ্রহনে না করে বিএনপি বুঝেছিল বিদেশী প্রভুরা তারেদকে ক্ষমতায় বসাবে। তাদের সে ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে। তাই বিএনপি নেতাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন। যা মুখে আসছে তাই বলে যাচ্ছে।

যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাইদুর রহমান শহীদ সেরনিয়াবাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দীকি নাজমুল আলম, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদসহ যুবলীগের বিভিন্ন পর্যয়ের নেতৃবৃন্দ।

এমআর, জেএ