সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী যে হরতালের আহবান করেছে তা কি আদালত অবমাননা নয়? জামায়াতকে আদালতে এনে জিজ্ঞাসা করুণ কেন তারা হরতাল দিয়েছে।
রোববার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসির রায় অবিলম্বে কার্যকর ও জামায়াতের হরতালের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিচারপতিদের নিয়ে কথা বললে আদালত অবমাননা হয়, মন্ত্রী এমপিদেরও আদালতে তলব করা হয় কিন্তু এ ব্যপারে কিছু করেনি সর্বোচ্চ আদালত। তাহলে মানুষ মনে করবে আদালত কোনো ক্ষেত্রে সরব, কোনো ক্ষেত্রে নিরব এটা মানুষ দেখতে চায় না। অবিলম্বে হরতাল আহবানকারীদের আদালতে তলব করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হোক।
হরতাল সম্পর্কে হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে যে হরতাল হচ্ছে বোঝার কোনো উপায় নেই। গতকাল দেশের কয়েকটি অনলাইন মিডিয়া ও পত্রিকা যদি জামায়াতের হরতালের খবর না প্রকাশ করত। তাহলে দেশের মানুষ জানতই না আজ হরতাল।
কোনো গোষ্ঠী বা দলের দাবীর ভিত্তিতে নয়, একাত্তরে সংঘটিত অন্যায়ের প্রতিকারের জন্যই আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশ্রয়ে বিদেশী হত্যা, ইমাম-পাদ্রী হত্যা হচ্ছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি নেত্রীর আচঁলের নিচে সাম্প্রতিক ব্লগার হত্যাকারী সহ- বিদেশী হত্যা , ইমাম হত্যাকারী ও বোমাবাজদের নিরাপদ আশ্রয়।
২০১৯ সালেও বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারবে না জেনেই বিএনপি নেত্রী আলোচনায় থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে নোংরা মিথ্যাচার করেছেন এমন দাবি করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, নোংরা কথা বলবেন না, আপনার সম্পর্কে নোংরা অথচ সত্য অনেক কথাই আমাদের জানা আছে। সেসব কথা আমাদের বলতে বাধ্য করবেন না।
বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি চিত্রনায়ক ফারুকের সভাপতিত্বে এ প্রতিবাদ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক ফালগুনী হামিদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সিনিয়র সহ সভাপতি ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, উপ-কমিটির সদস্য এম করিম প্রমুখ।
ইআর





