রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বৌভাতে অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হবে দুই পদের খাবার। যার মধ্যে থাকবে কাচ্চি বিরিয়ানি ও মুরগির রেজালা। সঙ্গে বোরহানি তো থাকছেই। প্রায় চার হাজার অতিথির এ আয়োজনে কেউ যেন খালি মুখে ফিরে না যান সেজন্য বিশেষ নজর রাখা হবে অতিথিদের প্রতি। আর গায়ে হলুদ ও বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ছোটখাটো ঘটনা এড়াতে বৌভাত অনুষ্ঠান নেওয়া হচ্ছে সিসি ক্যামেরার আওতায়। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
১৪ নভেম্বর সংসদ ভবনের এলডি হলে অনুষ্ঠিত হবে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বৌভাত অনুষ্ঠান। এতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চার হাজার অতিথিকে। অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এছাড়া মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, বৌভাত অনুষ্ঠানের খাবার হবে খুবই শর্টকার্ট। কোনোরকম ঝক্কি-ঝামেলায় না গিয়ে শুধু কাচ্চি বিরিয়ানি ও মুরগির রেজালা রান্না করা হবে। আর এ খাবার রান্না করবেন সংসদ ভবনের বাবুর্চি সাইদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আসা অতিথিরা সবাই যেন পেট ভরে খেয়ে যান সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখা হবে।
সূত্র জানায়, মন্ত্রীর ইচ্ছা সবাই যেন খেয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।
২৯ অক্টোবর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হয় রেলমন্ত্রীর গায়ে হলুদ। ৩১ অক্টোবর কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মিরাখলা গ্রামে বিয়ে অনুষ্ঠানে বহিরাগত ও ছিঁচকে ছিনতাইকারী এবং পকেটমাররা বহু অতিথির মোবাইল ফোন সেট, মানিব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, পার্সসহ গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনা মন্ত্রীকে বেশ বিব্রত করেছে। এজন্য মন্ত্রী নিজে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বৌভাত অনুষ্ঠানটি নির্বিঘ্ন রাখতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারসহ পুরো অনুষ্ঠানস্থল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেআই





