বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, অতীতে কোনো সরকারই জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন ঠেকাতে পারেনি। বর্তমান সরকারও পারবে না ইনশাআল্লাহ
৪ আগস্ট রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার দলের ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের নিয়ে সমন্বয় সভায় তিনি এ কথা বেলন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় সমন্বয় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির যথাক্রমে আব্দুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আবু সাদিক, মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শূরা সদস্য শাহীন আহমদ খান ও আশরাফুল আলম ইমনসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলবৃন্দ।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, রাজনৈতিক সভা সমাবেশ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার। অথচ সরকার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরীসহ দেশব্যাপী অফিসগুলোকে পুলিশ প্রশাসন দিয়ে জোরপূর্বক বন্ধ করে রেখেছে। জনগণের ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য বারবার আবেদন করা হলেও প্রশাসন বিভিন্ন টালবাহানা করে আমাদের আবেদনগুলো নাকচ করে দিচ্ছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে মূলত সরকারের একদলীয় ফ্যাসিবাদী চরিত্রই অত্যন্ত নগ্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জনবিচ্ছিন্ন এই সরকার রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশে বাস্তবায়নে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে ভূমিকা রাখার পরিবর্তে আওয়ামি লীগের দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যস্ত। জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করা যাবে না। মানুষ আজ রাস্তায় নেমে এসেছে। আন্দোলন-কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ।
মহানগরী আমির বলেন, উচ্চ আদালতের নিদেশনা উপক্ষো করে সরকার বারবার জামিন পাওয়া সত্ত্বেও আমিরে জামায়াত ডাঃ শফিকুর রহমান সহ জামায়াত নেতৃবৃন্দকে মুক্তি না দিয়ে নতুন নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখাচ্ছে। মুলত দেশে যাতে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন না হয়, সেজন্য সরকার জামায়াতের আমিরসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মিদের মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে আটক করে রেখেছে। আমরা অবিলম্বে শীর্ষ নেতৃবৃন্দ সহ বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরামদের মুক্তি দাবী করছি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
এবিএস





