বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আইনজীবীদের সমাবেশ করতে না দিয়ে সরকার জনগনের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। সেজন্য গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
দেশব্যাপি খুন, গুমের প্রতিবাদে আইনজীবীদের এ অনুষ্ঠানটি সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনে হওয়ার কথা থাকলেও অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগ তুলে পুলিশ তা বন্ধ করে দেয়। পরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদ বলেন, আইনজীবি সমিতির সমাবেশ করতে না দেওয়ায় প্রমাণ করে গণতন্ত্র কোন পর্যায়ে আছে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারনে বিচারকরা স্বাধীনভাবে বিচার কার্যক্রম করতে পারছে না। দেশের জন্য এটি ভয়ংকর দিক। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অটুট রাখার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের সামাজিক এবং রাজনৈতিক অবস্থা খারাপ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ২২ তারিখ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারস ইনিস্টিটিউশনে বিএনপির খুন গুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করতে না দিয়ে সরকার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রনে নেই দাবি করে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান বিএনপির এ নেতা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন, সাধারন সম্পাদক ব্যারিষ্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, জাতীয়তাবাধী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সানা উল্লাহ মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমেদ তালুকদার ছাড়া সংগঠনের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সারাদেশ থেকে প্রতিটি জেলা বারের আইনজীবীবৃন্দ সমাবেশে যোগ দেন।
এছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার জমিরউদ্দিন সরকার,  মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমর, এ্যাড জয়নুল আবেদীন, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এ্যাড আহমদ আযম খান, যুগ্ম  মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।[b]
ঢাকা, এমএইচ,২৪মে (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]