নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল নিক্ষেপকারী সন্দেহে একজনকে গণপিটুনি দেওয়া হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের (ডিভাইডার-সংলগ্ন) সামনে বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। পুলিশও কাউকে আটক করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, পাশের ভাসানী ভবনের গলি থেকে এ ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে কে বা কারা এ ককটেল নিক্ষেপ করেছে তা জানা যায়নি।
বিস্ফোরণের সাথে সাথেই বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সকাল থেকে অবস্থানরত ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ছুটে গিয়ে ভাসানী ভবনের গলির ভেতর থেকে ককটেল নিক্ষেপকারী সন্দেহে আব্দুল মান্নান নামে একজনকে ধরে নিয়ে আসে। এরপর তাকে বেদম পিটিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ছাত্রদলের যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার জানান, ককটেল বিস্ফোরণের সাথে সাথেই আমরা ছুটে গিয়ে ভাসানী ভবনের গলির ভেতর থেকে আব্দুল মান্নান নামে একজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলি। তখন তার হাতে একটি খালি প্যাকেট ছিল। আমরা ধারণা করছি, ওই প্যাকেটেই ককটেল ছিল।
গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও সকাল থেকেই ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় একটি ককটেল বিস্ফোরিত হলেও আরেকটি অবিস্ফোরিত ছিল।
উল্লেখ্য, ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণার পর সংগঠনটির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গত চার দিন ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও কার্যালয়ের আশপাশে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত সোমবার সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধরা। এ সময় তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ম্যুরাল ও ছাত্রদলের সাংগঠনিক নেত্রী খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙচুর করে এবং তিনটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এমএইচ





