‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জঙ্গি দমনে চীন বাংলাদেশের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে’ বলে আশা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও জঙ্গি দমনে চীন অতীতে আমাদের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকবে।’

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সফররত চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ দূত ও দলের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার চিয়ান ফেং জিয়াংয়ের নেতৃত্বাধীন ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এ আশা প্রকাশ করেন আশরাফ।

‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ সফর করবেন’ বলেও সাংবাদিকদের জানান সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মওলানা ভাসানী ১৯৫৬ সালে চীন সফরের মাধ্যমে এই সম্পর্কের শুভ সূচনা করেছিলেন। যা সময়ের পরিক্রমায় আরও সুদৃঢ় হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘চীন এখন সুপার পাওয়ার। চীন আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী। মাত্র ১৪০ কিলোমিটার দূরত্বে চীনের কুনমিং শহর। চীনের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সম্পর্ক রাষ্ট্রীয়ভাবে যেমন শক্তিশালী হয়েছে তেমনি দলীয়ভাবেও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক সৃদৃঢ় হচ্ছে।’

গণভবনে সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চীনের প্রতিনিধি দলের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সম্পর্কের বিষয়ে সেখানে আরও বিশদ আলোচনা হয়েছে।’

সোনারগাঁও হোটেলের বৈঠকে আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এম জমির, কেন্দ্রীয় সদস্য এস এম কামাল প্রমুখ।

চীনের প্রতিনিধি দলে ছিলেন- চীনা কমিউনিস্ট পার্টির ডিরেক্টর জেনারেল ইয়ান ঝিবিন, ডিরেক্টর ইয়ান রিঢং, ভাইস মিনিস্টারের সচিব লিও ইয়াং ঝি, কমিউনিস্ট পার্টির সহ-সম্পাদক টান উই, পার্টির রাজনৈতিক কর্মকর্তা হিহি প্রমুখ।

এমএইচ