ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে (ডিসিসি) আওয়ামী লীগ সমর্থিত দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকনের দলীয় সমর্থন ঋণখেলাপী ইস্যুতে ঝুলে গেল।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে শেখ হাসিনার বৈঠকে এ রকম সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলীয় সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র জানান, তফসিল ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলীয় সভানেত্রীর একান্ত ইচ্ছায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে ইসির তফসিল ঘোষণার পর দলীয় সমর্থিত প্রার্থীদের পরোক্ষ সমর্থন ও বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে পূর্বেই দলীয় সমর্থন পেয়েছিলেন সাঈদ খোকন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ডিসিসির প্রথম মেয়র মোহাম্মদ হানিফের পুত্র সাঈদ খোকনের ঋণখেলাপী নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ঘটনাটি আগেই প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রীর নজরে আনেন নেতারা। তিনি বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের চিন্তা-ভাবনা করার পরামর্শ দেন।

বৃহস্পতিবার বৈঠকে সাঈদ খোকনের ঋণখেলাপির বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। তার সঙ্গে সিনিয়ির আওয়ামী লীগ নেতারাও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

এতে দলীয় সভানেত্রী বলেন, ‘সে (সাঈদ খোকন) ঋণখেলাপি হলে সেটা তো দল দায়িত্ব নেবে না। এর মধ্যে সে যদি ঋণখেলাপির বিষয়ে সমাধান করতে না পারে তাহলে দল বিকল্প সিদ্ধান্ত নেবে।’

প্রসঙ্গত, গত বুধবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। তার এক সপ্তাহ আগে গত বৃহস্পতিবার সাঈদ খোকনের নামে প্রিমিয়ার ব্যাংকের নালিশ নির্বাচন কমিশনে (ইসি)আসে। ইসিতে পাঠানো চিঠিতে প্রিমিয়ার ব্যাংক অভিযোগ করে, তারা সাঈদ খোকনের কাছে ১১৮ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে।

এসএইচ