ভারতের সদ্য দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী বিজিপির প্রধান নরেন্দ্র মোদী আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে। কাছে টেনে নিয়েছে বিএনপিকে। ইতোমধ্যে বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান মোদিকে ২৬ মে শপথ গ্রহণের পর পরই প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মোদির প্রতি তার আস্থা প্রকাশ করেছেন। আগামী দিনের সহযোগিতাও চেয়েছেন। খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় থাকতে বিজেপির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
বিএনপির তরফ থেকে মোদিকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতিনিধি হিসেবে ভারত সফরে যাচ্ছেন বিএনপির ১০ নেতা। এই ১০ সদস্যর প্রতিনিধিদল মোদি সরকার গঠনের পর বিপুল উৎসাহ নিয়ে শুভেচ্ছা জানাবে। এই প্রতিনিধি দলের প্রধান হিসেব থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম। তারা জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন।
প্রতিনিধি দলে এম কে আনোয়ার, ড. আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক শফিক রেহমান, প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দলের ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান, প্রাক্তন পররাষ্ট্রসচিব ও ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক, প্রাক্তন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রিয়াজ রহমান ও প্রাক্তন সচিব সাবিহ উদ্দিন আহমেদসহ প্রমুখ।
বিজেপি ও বিএনপির মধ্যে সমঝোতাটা ভাল। যেমনটি ভাল কংগ্রেসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের। কংগ্রেস বাংলাদেশের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন করানোর জন্য সরকারকে সব ধরনের সহায়তা করেছে। আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী শক্তিগুলো নির্বাচন এক তরফাভাবে না হোক, সবার অংশগ্রহণে হোক এনিয়ে চেষ্টা করেছেন। তবে সফল হতে পারেননি।
মোদি কংগ্রেস সরকারের সব কাজ সমর্থন করে কাজ করে যাবেন এমন নয়। তিনি তার ও তার দলের অবস্থান নীতি আদর্শ অনুযায়ীও অনেক সিদ্ধান্ত নিবেন। বাংলাদেশের ব্যাপারেও তিনি তার অবস্থান নিবেন। কংগ্রেস আওয়ামী লীগ সরকারে সঙ্গে যে সব চুক্তি করেছে তা বাতিল না করলেও তাতে কিছু কিছু ইস্যুতে ধীর গতি আসতে পারে। সেই সঙ্গে নতুন করে চুক্তি আপাতত নাও হতে পারে। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি পুরোপুরি সমর্থন দিবে না বলে তাদের সব কাজেও বাস্তবায়নেও সহায়তা দিবে না।
সূত্র জানায়, কংগ্রেস সমর্থিত আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি তার অকুণ্ঠ সমর্থন থাকবে না। তার সহযোগিতা নিয়েই আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী শক্তিগুলোর চাপে বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। সেটা আওয়ামী লীগ সরকার পাঁচ বছর মেয়াদ পুর্তির আগেই। এই অবস্থায় ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বাদ পড়া বিএনপিকে সবাই এগিয়ে আনার জন্য সমর্থন দিবে। সেখানেও কংগ্রেসের কারণেই বিএনপিকে সমর্থন দিবে বিজেপি। (সূত্র: বিন্যাশন২৪.কম)
তারেকের প্রতি মোদির গ্রিন সিগন্যাল
ভারতের সদ্য দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী বিজিপির প্রধান নরেন্দ্র মোদী আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে। কাছে টেনে নিয়েছে বিএনপিকে। ইতোমধ্যে বিএনপির সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে।
‘মোদি সরকারের মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে পিএম-দক্ষ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থতা ও বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করার অভিযোগ তুলেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। প্রকল্পটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরকারকে কটাক্ষ করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ।
মোদির বাসভবনের পাশের ঐতিহাসিক মসজিদ খালি করার নির্দেশ
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন ৭, লোক কল্যাণ মার্গের পাশে অবস্থিত ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদ ৬ দিনের মধ্যে খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির ল্যান্ড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এলঅ্যান্ডডিও)।
পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা করছেন মোদি : মমতা
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, গ্রেপ্তারের মাধ্যমে একটি পুরো প্রজন্মকে ভয় দেখিয়ে স্তব্ধ করার চেষ্টা চলছে।
মোদিকে হিটলার-মুসোলিনির পরিণতি স্মরণ করিয়ে ধ্রুব রাঠির হুঁশিয়ারি
ভারতের জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আটকের নামে তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হিটলার ও মুসোলিনির পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ইউটিউবার।
‘মোদি ভারতের জন্য লজ্জার’ মুক্তি পেয়ে অভিজিতের বার্তা
আটক থেকে মুক্তি পেয়েই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য ‘লজ্জার’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
















