দপ্তর হারানোর পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।
সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত এই বৈঠক হয়, যাতে শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকের পর পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে আশরাফের অনুপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন।
উত্তরে তিনি বলেন, “আজ (সোমবার) বৈঠকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না। তার মানে এই নয় যে আগামীতে তিনি আসবেন না।”
সৈয়দ আশরাফকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরালেও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী হিসেবে রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
গত ৯ জুলাই তাকে দপ্তরবিহীন মন্ত্রী করার পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা শোভিত গাড়ি নিয়েই অংশ নিতে দেখা গেছে আশরাফকে।
মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য সৈদয় আশরাফকে ‘কেবিনেট ফোল্ডার’ পাঠানো হয়েছিল কি না- সাংবাদিকদের সেই প্রশ্ন এড়িয়ে যান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
সৈয়দ আশরাফকে ‘কেবিনেট ফোল্ডার’ পাঠানো হয়েছিল কি না- সে বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তাই সাংবাদিকদের কাছে মুখ খুলতে রাজি হননি।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, যে মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রীর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী রয়েছেন সেসব মন্ত্রণালয়ের শুধু মন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নিতে ‘কেবিনেট ফোল্ডার’ পান। ওই সব মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীদের তিন মাস পর পর মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নেওয়ার জন্য ফোল্ডার পাঠানো হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এই সরকারের আগের কেবিনেটে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে নিয়মিতই মন্ত্রিসভা বৈঠকে অংশ নিতে পারতাম। এখন আমার মন্ত্রণালয়ে পূর্ণমন্ত্রী থাকায় তিন মাস পর পর কেবিনেট মিটিংয়ে যেতে পারি।”
সৈয়দ আশরাফকে সরানোর পর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। তিনি সোমবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রিসভায় আরও কোনো রদবদল হচ্ছে কি না- সাংবাদিকদের এই প্রশ্নে সচিব মোশাররাফ বলেন, “রিশাফল হয়ে যাওয়ার পর জেনে যাবেন। অ্যাজ আর্লি পসিবল প্রেসরিলিজ দিয়ে দেব। আমাদের ওয়েসবাইটেও দেখতে পাবেন।”
এএইচ





