আসন্ন ঈদে দেশের কোথাও কোনো সড়ক-মহাসড়কে ভোগান্তি হবে না বলে আগেভাগেই জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (১১ মে) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক কর্ম-সম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে অধিদপ্তর এবং সংস্থা প্রধানদের অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স এগ্রিমেন্ট (এপিএ) স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি সই শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সড়ক-মহাসড়কের কাজ এগিয়ে চলছে। আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই- আসন্ন ঈদে দেশের কোথাও কোনো সড়ক-মহাসড়ক ভোগান্তির কারণ হিসেবে দেখা দেবে না।

যদিও প্রতি বছরই ঈদে দেশের সড়ক মহাসড়কে যানজটসহ নানা ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।

মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট দেওয়া হবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলো প্রকল্প বাস্তবায়নে নানান কাজ সম্পাদন করবে। এ ক্ষেত্রে প্রকৌশলীদের মাঠ পর্যায়ের দক্ষতা পদোন্নতি ও পদায়ন বিবেচনয় আনা হবে।

তিনি বলেন, এ কথা ঠিক যে মাঠ পর্যায়ের কাজ সম্পাদনে নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ দিন-দিন বাড়ছে। তবে বিচক্ষণতার সঙ্গে সরকারি নিয়মনীতি পালন করে কাজটি সম্পন্ন করার মধ্যেই কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীদের দক্ষতা বোঝা যায়।

মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে আমাদের টার্গেট হবে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা। যদি কোনো কর্মকর্তা বা ঠিকাদার ইচ্ছাকৃত কাজে গাফিলতি করেন তাহলে কার্যাদেশ বাতিল হবে। এক্ষেত্রে গুণগত মানও বিবেচনায় আনা হবে। কর্মকর্তাদের জবাবদিহিও করতে হবে।

তাই আমাদের স্লোগান হবে- ভালো কাজের জন্য পুরস্কার, আর খারাপ কাজের জন্য তিরস্কার- বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এডিপি বাস্তবায়নে অতীতের শামুক গতির বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে। শতভাগ এডিপি বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চমক সৃষ্টি করেছে।

তিনি আরও জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এগিয়ে চলা গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ‘পদ্মাসেতু ও মেট্রোরেল’।

পদ্মাসেতুর কাজে সিডিউলের একদিনও আমরা পিছিয়ে নেই, স্বচ্ছতাও শতভাগ- যোগ করেন মন্ত্রী।

ইআর