আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, যারা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করে তারা কাপুরুষ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের।
মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকালে রাজধানীর পলাশীর মোড়ে আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক জন্মাষ্টমী মিছিল ১৪২২’- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন এই মিছিলের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা- ৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার সব ধর্মের মানুষের সব ধরনের অধিকার রক্ষায় সচেষ্ট।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, মিছিলটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির হয়ে পলাশী বাজার-জগন্নাথ হল-কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-দোয়েল চত্বর-হাইকোর্ট জাতীয় প্রেস ক্লাব-পল্টন-শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার-গোলাপ শাহ্ মাজার-গুলিস্তান মোড়-নবাবপুর রোড-রায়সাহেব বাজার-বাহাদুর শাহ্ পার্কে গিয়ে শেষ হবে।
শাস্ত্রীয় বিবরণ ও জ্যোতিষ গণনার ভিত্তিতে লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২৮ সালে ১৮ অথবা ২১ জুলাই। মথুরা নগরীতে অত্যাচারী রাজা কংসের কারাগারে। তিনি বসুদেব ও দেবকীর অষ্টম পুত্র। তার পিতামাতা উভয়ের যাদববংশীয়। দেবকীর দাদা কংস, তাদের পিতা উগ্রসেনকে বন্দী করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। একটি দৈববাণীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে দেবকীর অষ্টম গর্ভের সন্তানের হাতে তার মৃত্যু হবে। এই কথা শুনে তিনি দেবকী ও বসুদেবকে কারারুদ্ধ করেন এবং তাদের প্রথম ছয় পুত্রকে হত্যা করেন। দেবকী তার সপ্তম গর্ভ রোহিণীকে প্রদান করলে বলরামের জন্ম হয়। এরপরই কৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন।
কেএইচ





