বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “এই সরকারের আমলে সাম্প্রদায়িক উস্কানি, বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের দেবালয়ে আক্রমণ, প্রতিমা ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির ঘটনা অত্যুগ্র মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা-মহল বিশেষের মদত ছাড়া অসম্ভব। আমি এই সমস্ত অশুভ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।”

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ‘শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে’ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বাণীতে এইসব কথা বলেন। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এই বাণী পাঠানো হয়।

শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, “কামনা করি তাদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ।”

মির্জা ফখরুল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। আবহমান কাল ধরেই উপমহাদেশে এই ধর্মীয় উৎসবটি আনন্দঘন পরিবেশে পালিত হয়ে আসছে। শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব সকলের মধ্যে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। এই উৎসব বাংলাদেশের একটি শাশ্বত সার্বজনীন উৎসব। “বিএনপি আবহমানকালের ঐতিহ্যের ধারায় ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’ নীতিতে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করে।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “সুদীর্ঘকাল ধরেই বাংলাদেশে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে একত্রে বসবাস করছে। ধর্মীয় উৎসব সাম্প্রদায়িক সীমানা অতিক্রম করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে এক বৃহত্তর শুভেচ্ছার প্রাঙ্গণে মিলিত করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের অংশ। আমরা সবাই বাংলাদেশি। এটাই আমাদের গর্ব, আমাদের একমাত্র পরিচয়।”

এমবি