সরকার সৃষ্ট অস্থিতিশীল অবস্থায় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবন গণভবন ঘেরার করার আহবান জানিয়েছে ছাত্রশিবির।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতির মাধ্যমে এ কথা জানানো হয়।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল জব্বার ও সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান বলেন, অবৈধ সরকারের অপশাসনে দেশের অন্যান্য ভিত্তির মত শিক্ষা ব্যবস্থাও ধ্বংসের পথে।

তার উপর দেশের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিবেশে এসএসসি’র মত একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কায় আছে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। কিন্তু এ সমস্যা সমাধানে শিক্ষার্থীরা যে ভাবে বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাড়ীর সামনে কর্মসূচি পালন করেছে যুক্তিযত নয় বলে সচেতন দেশবাসী মনে করে।

কারণ দেশের বর্তমান সংকট তৈরীর জন্য দায়ী প্রধানমন্ত্রীসহ তার সরকার। আর বিরোধী দল সেই সংকটের শিকার হয়ে তা উত্তরণের চেষ্টা করছে। দেশের বর্তমান সংকট অল্প সময়েই কেটে যেতে পারে যদি প্রধানমন্ত্রী চান।

বর্তমানে দেশের গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জানা-মালের নিরাপত্তা নেই। তাছাড়া সরকারের মদদে তার দলীয় লোকদের দ্বারা প্রশ্ন পত্র ফাঁস, চাপ দিয়ে নাম্বার বেশি দেয়া ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হত্যা, হামলা, কোন্দলে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম।

অবৈধ সরকারের সর্বগ্রাসী অপশাসনে প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষ আজ ভূক্তভূগি। তাই চলমান গণআন্দোলন কোন দলের নয় বরং দেশ, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার রক্ষায় জনগণের স্বত্বস্ফুর্ত আন্দোলন।

গণদাবী মেনে নিলে অল্প সময়ের মধ্যেই চলমান সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। সুতরাং সব দিকে দিয়েই সমস্যার মূলে রয়েছে সরকার এবং সমাধানও তাদের হাতেই। প্রকৃত পক্ষে শিক্ষার ক্ষেত্রে অনিশ্চিয়তা কাটাতে মূল ভূমিকা পালন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা যদি বিরোধী দলীয় নেত্রীর বাসা ঘেরাও করে তাহলে এ কর্মসূচিকে কোন বিশেষ দলের রাজনৈতিক কর্মসূচিই মনে করবে সচেতন ছাত্রসমাজ ও দেশবাসী। তাই সংকট কাটাতে প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবন গণভবন ঘেরাওই হবে যুক্তিযত পদক্ষেপ। 

নেতৃবৃন্দ চলমান শিক্ষা সংকট উত্তরণে সর্বস্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাস ভবন গণভবন ঘেরাও করে দাবী আদায়ে বাধ্য করতে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি আহবান জানান।

এসএইচ