মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, পাকিস্তানের সংবিধান লংঘন করেছি। বাংলাদেশের সংবিধান কখনোই লংঘন করিনি।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা্য় তিনি এসব কথা বলেন। ‘জঙ্গি সন্ত্রাস দমনে প্রয়োজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এ সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু গবেষনা পরিষদ।
তিনি বলেন, সংবিধান লংঘনের ব্যাপারে আদালত যা বলেছে তার পূর্নাঙ্গ রায়ের পর আমার আইনজীবিদের সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে কথা বলব।
"তবে এ বিষয়ে আমি বলবো, আমি জেনে শুনে সংবিধান লংঘন করতে পারি ননা, করি নাই। কারণ সংবিধান মুক্তিযুদ্ধের রক্তে লেখা।"
জঙ্গির উত্থানে রয়েছে ইজরাইলী শক্তি এবং তাদের মদদ দাতা আমেরিকা মন্তব্য করে তিনি বলেন, ইসলাম বিরোধি ইহুদি শক্তিরা ইসলাম ধ্বংস করতে ইমলামের নামে ইসলামী রাষ্ট্র গুলোয় মানুষ খুন করে জঙ্গি তৎপতরা চালাচ্ছে। তারা সারা বিশ্বে মুসলমানদের খুনি হিসেবে পরিচয় করাতে চাচ্ছে। ইসলামী রাষ্ট্রগুলোকে টার্গেট করে তারা ধ্বংস করে দিচ্ছে।
তিনি বলেন, নিড়ানী দিয়ে যেমন আগাছা পারষ্কার করা হয়, তেমনিভাবে বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিদের চিরদিনের মত বিতারিত করতে হবে। জঙ্গিরা ইহুদি মতবাদে বিশ্বাস করে। জামাত ইসলাম ও মওদুদের ইসলামের বিশ্বাস করে । এপর প্রকৃত পক্ষে নবী করীম (স:) এর ইসলামে বিশ্বাস করে না।
মন্ত্রী বলেন, যারা স্বাধনীতার চায় নি তারা বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন ভাবে জঙ্গিবাদকে লালন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ গড়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।এখন বাংলাদেশে কোন মানুষ না খেয়ে মারা যায় না। দেশের এই আগ্রগতিকে বাধা গ্রস্থ করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
তিনি মনে করেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে গনতন্ত্রের কবর হতো।
মন্ত্রী আরো বলেন, আমেরিকার পরাষ্ট মন্ত্রী তিন মাস আগে রাজাকারদের ফাঁসির সময় বলেছিলেন ফাঁসি দেওয়া যাবে না। যাবজ্জীবন দিতে। তিন মাসের মাথায় সেই আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যথার্থ কাজ করছে। এ কথা কেন বলছেন, বলছেন এই জন্য যে, বাংলাদেশ এখন মাথা তুলে দাড়িয়েছে। এ সময় সরকারের উন্নয়নে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন মন্ত্রী।
জঙ্গিবাদ থাকলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন হবে না। মুক্তিযুদ্ধে চেতনা বাস্তবায়ন ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ করতে এ দেশে থেকে জঙ্গিদের উচ্ছেদ করা হবে।
সংবিধান লংঘনের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রায়ের কাগজ পাওয়ার পর এ বিষয়ে কথা বলবেন।
বঙ্গবন্ধু গবেষনা পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. গনি মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন রাখেন সংসদ সদস্য এডভোকেট হোসনে আরা বেগম বাবলী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ইসমত কাদির গামা,বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইসমাইল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন প্রমুখ।
এমবি





