বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আওয়ামী লীগ একটি ঐতিহাসিক দল। জাতি গঠনে, স্বাধীনতা লাভের জন্য, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অতীতে তাঁদের একটি গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই দলটির হাতেই গণতন্ত্র বারবার নিহত হয়েছে।”
মির্জা ফখরুল বলেন, “তারপরও যেহেতু আমরা রাজনৈতিক দল। আমরা প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতা করি, স্বাগত জানাই। আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের নতুন নেতৃত্ব শেষে তাঁদেরকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।”
শনিবার (২১ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, “১৯৭৫ সালে তারা একটি বাকশাল কায়েম করেছিল এবং গত এক দশক ধরে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব কাজ করা হচ্ছে।”
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা তাদের অতীতের সকল অপকর্ম ভুলে গিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য অতি দ্রুত একটি নির্বাচন ব্যবস্থা করবেন। যে নির্বাচনটি হবে নতুন একটি নির্বাচন কমিশনের অধীনে এবং নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। আশা করছি তারা মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিবে, মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেবে।”
অতীতের সব কিছু ভুলে গিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য আওয়ামী লীগের নতুন কার্যকরী কমিটির প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এমবি





