বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল আজ ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিল ও ধানমন্ডি এলাকায় সুবিধা বঞ্চিত অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন।
শীতবস্ত্র বিতরণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মানবতার কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। দেশের যেকোন দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে মানুষের কষ্ট লাঘবে সব সময় পাশে আছে জামায়াত। একটি কল্যাণকামী আদর্শবাদী সংগঠন হিসেবে সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা আগামীর সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। আজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মানুষ নানাবিধ কষ্টে দিনযাপন করছেন। একদিকে করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব ও শীত বেড়ে যাওয়া এবং অন্যদিকে শহর থেকে গ্রামান্তরের বহু অবহেলিত মানুষ নানা সংকটে জীবন অতিবাহিত করছেন। সেই সব মানুষের কল্যাণে এই শীতের মধ্যে সীমিত সামর্থ সহযোগিতা নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে। একইসাথে তিনি সমাজের সামর্থ্যবান ও বিত্তবানদের সহযোগিতার হাতে নিয়ে সুবিধা বঞ্চিত অসহায় শীতার্ত মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার জন্য আহŸান জানান।
ধানমন্ডি দক্ষিণ থানার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও থানা আমীর এডভোকেট জসিম উদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারি সেক্রেটারি এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য শেখ শরিফ উদ্দিন আহমেদ, ধানমন্ডি দক্ষিণ থানা সেক্রেটারী এম আই শাহীন, থানা কর্মপরিষদ সদস্য শেখ মিজান, খন্দকার মিজানুর রহমান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
মতিঝিল থানার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও মতিঝিল থানা আমীর সৈয়দ সিরাজুল হক এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শুরা সদস্য ও ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ড. মোবারক হোসাইন, মতিঝিল থানা কর্মপরিষদ সদস্য শামসুল বারী, নুর উদ্দিন, ইমাম হোসেন সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সময়ের যাবতীয় অসঙ্গতি কেবলমাত্র ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব। জামায়াতে ইসলামী সর্বদা দেশের স্বাধীনতা-সার্বোভৌমত্ব রক্ষা ও মানুষের কল্যাণে সবসময় পাশে থাকে। দূর্ণীতি-লুটপাট, অপশাসনের মাধ্যমে যারা দেশ শাসন করেন তাদের ঘৃণাভরে মানুষ মনে রাখে। সময়ের পরিবর্তনে জনগণ একদিন তার কড়া জবাব দিবে। প্রকৃত পক্ষে মানুষের কল্যাণে যারা কাজ করেন তারাই মনের গভীরে স্থান করে আজীবন ইজ্জত পেয়ে থাকেন। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে মানুষের আশা ভরসার আস্থা অর্জনে জামায়াত সব সময়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কাজে দেশের সকল নাগরিকদের সম্পৃক্ততা আমরা প্রত্যাশা করি। আগামীর বাংলাদেশ ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রয়োজনে তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
এমআর





