একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন আমাদের সঙ্গে প্রতারনা করেছে, এমন মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এই ভোটের ফলাফল বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন করে নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

আজ বিকেলে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে, ভোটের নানা অনিয়ম তুলে ধরে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার কাছে একটি স্মারকলিপি দেন মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

পরে ফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, ভোটের দিন বিদেশি পর্যবেক্ষকদের দেশে আসতে দেয়া হয়নি। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ বিরোধীদের প্রচার-প্রচারণা চালাতে বাধা দেয়া হয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিস্ক্রিয় রাখা হয়েছে।

বিএনপির এই নেতা আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগের রাতেই ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ ভোট কেটে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লাঠিয়াল বাহিনী রাস্তা অবরোধ করে ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের আগেই আমাদের ৪৮ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচনের আগের রাতে আমাদের ১৬ জন প্রার্থীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ভোটের সময় সরকারের সাজানো প্রশাসন, গনমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রন করা হয়। ভোটের দিন সকালে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেয়া হয়।

দুপুরের মধ্যেই ব্যালট শেষ হয়ে গেলে, ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। অবৈধ প্রক্রিয়ায় কিছু কিছু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট দেয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।