করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীসহ বিপদগ্রস্তদের মেস ও বাসা ভাড়া মওকুফের দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সালাহউদ্দিন আইউবী বুধবার এক বিবৃতিতে বলেন, অবিলম্বে বিপদগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা সরকারের প্রতি দাবী জানাচ্ছিএ সেমিস্টার ফি, মেস-আবাসিক হোস্টেলের সিট ভাড়া মওকুফ করাও জরুরী। বিপদে থাকা মানুষদের বাসা-দোকান ভাড়া এবং এনজিও, ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি আংশিক বা পূর্ণ মওকুফের ব্যাপারে সদয় হওয়ার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ করছি।

শিবির নেতারা বলেন, দেশের লাখো ছাত্র-ছাত্রীর অধিকাংশই আবাসিক হলে কিংবা মেসে থাকে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের আর্থিক উৎসগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। টিউশনি আর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষমের টাকায় যাদের পড়াশুনা, মেস ভাড়া ও আনুসঙ্গিক খরচ চলত এমন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম বিপাকে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্থানে সেমিস্টার ফি ও বাসা ভাড়ার জন্য শিক্ষার্থীদের চাপ দেওয়া হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি ও বাসা ভাড়া প্রদান করা দুরূহ। উল্টো তাদের অনেকের সার্বিক সহায়তা প্রয়োজন।

শিবির নেতারা আরো বলেন, ঢাকায় বসবাসরত বেশীর ভাগ মানুষই ভাড়াটিয়া। হঠাৎ করে কর্মস্থল, ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্বল্প আয় ও খেটে খাওয়া মানুষেরা ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে। তার ওপর অনেকের রয়েছে কিস্তির দেনা শোধের চাপ। এ মুহুর্তে তাদের পক্ষে বাসাভাড়া, দোকানভাড়া বা কিস্তি প্রদানের জন্য চাপ দেয়া, মরার উপর খারার ঘা' এর মত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সরকারের জরুরী ফান্ড থেকে শিক্ষার্থী ও বিপদগ্রস্ত মানুষের দূর্দশায় সহায়তা করলে সহজেই এ সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব বলে মতা প্রকাশ করেন শিবির নেতারা। -বিজ্ঞপ্তি

এএস