দেশে গণতন্ত্র না থাকায় গণমাধ্যমেরও কোন স্বাধীনতা নেই। দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছেনা।
বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেছেন, ‘সরকার একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। দেশে গণতন্ত্র না থাকায় গণমাধ্যমেরও কোন স্বাধীনতা নেই।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা প্রত্যাহার, বন্ধ গণমাধ্যম খুলে দেয়া, মাহমুদুর রহমানের মুক্তি, সাগর-রুনির খুনিদের গ্রেপ্তার, গণবিরোধী সম্প্রচার নীতিমালা বাতিল, সেন্সরশীপ বাতিল ও স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
জনাব গাজী বলেন -সরকার বেশকিছু প্রত্রিকা অফিস ও টিভি চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে। সাংবাদিকদের নামে মামলা দেয়া হচ্ছে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, যার ফলে শতশত সাংবাদিক বেকার হচ্ছে। এই অবস্থা দেখে মনে হয়, আমরা কোন জঙ্গী রাষ্ট্রে বাস করছি।
তিনি বলেন, ‘আমরা পেট্রোল বোমার নিন্দা জানাই, আবার ক্রসফায়ারের নামে সাধারণ মানুষ হত্যার ও নিন্দা জানাই।’
এ সময় তথ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে রুহুল আমিন গাজী বলেন-সাংবাদিকরা নাকি স্বাধীন, তাহলে সাগর রুনি হত্যা হলো কেন? কেন বা তাদের হত্যার বিচার এখন করতে পারছেনা সরকার? সাগর রুনি হত্যাকারীরা গ্রেফতার না হওয়া পযর্ন্ত দেশের সাংবাদিক সমাজ শান্তিতে থাকতে পারেনা।’
ছা্ত্রদল ও শিবির নামে চালিয়ে পুলিশ-র্যাব সাধারণ মানুষকে ধরে নিয়ে মামলা দিচ্ছে মন্তব্য করে গাজী বলেন, ‘সরকার শুধু নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে মামলা দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বিনা বিচারে তাদের হত্যা করা হচ্ছে। এটা কোন গণতান্ত্রিক দেশে চলতে পারেনা।
দেশে চরম সংকট বিরাজ করছে মন্তব্য করে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব এম এ আজিজ বলেন-সরকার সারা দেশের মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়। এদিকে পুলিশ চাঁদাবাজি করছে কিন্তু তাদের বিচার হচ্ছে না।
বিএফইউজের সিনিয়র সহ সভাপতি এম আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বিএফইউজের প্রচার সম্পাদক আকন আব্দুল মান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী প্রমুখ।
মুকুল/এসএইচ





