আজকে দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একটি নতুন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন করতে সরকারে তার লক্ষ্যে পৌছাবে।

কোন কিছুকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সব কিছুকে সাথে নিয়ে উন্নয়ণের দিকে এগিয়ে যাবে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন।

সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ( স্বাশিপ)আয়োজিত‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষকদের ভূমিকা শীর্ষক’এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্তী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে দাবী করে প্রবীন এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, আমরা যখন দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসি শতকরা ৯ জন শিশু স্কুলে যেত না।

পঞ্চম শ্রেণীতে উঠার আগেই ১০০ শত শিশুর মধ্যে ৪২ জন শিশু ঝরে পড়ত। আজকে সবই সম্ভব হয়েছে শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বের ফলে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা কোন ব্যক্তি হত্যা বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা পরাজিত হয়েছিল তারাই তাকে হত্যা করেছিল।

জিয়ারউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন ‘উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান শুধু বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সামরিক বাহিনীর ক্ষমতাকে ব্যবহার করে জিয়াউর রহমানই রাজনীতিতে জামায়াতকে আবার সুযোগ করে দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, উনি (জিয়াউর রহমান) রাজাকার আলিমকে মন্ত্রী বানিয়েছিলেন,তার স্ত্রী (খালেদা) তারই ধারাবাহিকথায় নিজামী মোজাহিদের গাড়িতে পতাকা দিয়ে শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানী করেছিলেন।

যারা জাতীয় পতাকা পুড়িয়ে দিয়েছে, দেশ স্বাধীন না হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে, তাদের গাড়িতে পতাকা প্রতারণা ছাড়া আর কিছু না।

তিনি বলেন, ‘আজকে যারা বলে দেশে মানবাধিকার নেই আইনের শাসন নেই, আমি স্বীকার করছি আমাদের কিছু ভূল আছে, তার মানে এই নয় আমাদের সরকারের সবকিছু ভূল হচ্ছে। কিন্তু যে দিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল সেদিন তো আপনাদের মতো কেউ বলতেই সাহস পায়নি দেশে আইনের শাসন নেই।

তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে দেশের জনগনই রায় দিয়েছেন, এখন আমাদের যে দায়িত্ব তা হল দেশের সকল স্তরের মানুষদের ঐক্যবদ্ধ করে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত করা।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মাদ শফিকুর রহমান বলেন,‘ দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় প্রেসক্লাব রাজাকারদের ঘাটি ছিল।

আমি প্রেস ক্লাবের সভাপতি হওয়ার পর প্রেস ক্লাব জামায়াত শিবির রাজাকার মুক্ত করার চেষ্টা করেছি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি প্রফেসর ড.আব্দুল মান্নান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক প্রফেসর শামসুজ্জামান খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলম সাজু, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা প্রমুখ।

এমএ/এসএইচ