মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান মুহাম্মাদ বদিইসহ ১৩ জন নেতাকে মৃত্যুণ্ড প্রদানে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর জনাব মকবুল আহমাদ।
আজ ১৮ মার্চ এক বিবৃতির প্রদানের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুড বিশ্বব্যাপী পরিচিত একটি ইসলামী সংগঠন। প্রায় ৮৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ দলটি মিশরে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সংগ্রাম করে আসছে। মিশরের জনগণ ব্রাদারহুডের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সাড়া দিয়ে সংসদ নির্বাচনে তাদের বিপুল সমর্থন দেয়।
মিশরের ইতিহাসে প্রথম জনগণের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন ড. মুহম্মাদ মুরসি। কিন্তু সেনা প্রধান ২০১৩ সালে বন্দুকের জোরে মুহম্মাদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যূত করে মিশরের সামরিক শাসন জারী করেন।
তিনি আরো বলেন, সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করার পরই মিথ্যা অজুহাতে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে এ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের স্ট্রীম রোলার চালায়। সেই অত্যাচার-নির্যাতনের ধারাবাহিকতায় মুসলিম ব্রাদারহুডকে ধ্বংস করার জন্যই মুহাম্মাদ বদিইসহ ১৩ জন নেতাকে হত্যার উদ্দেশে মৃত্যুদ- প্রদান করে। ইতিপূর্বে মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষ ৬ জন নেতাকে বিচারের নামে প্রহসন করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু মিশর থেকে ইসলামের আদর্শ উৎখাত করা যায়নি। জনগণ ইসলামের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছে।
মিশরের সামরিক জান্তার জুলুম-নির্যাতন, বিচারের নামে প্রহসন ও মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা মুহাম্মাদ বদিইসহ নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমি জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও মুসলিম বিশ্বসহ শান্তিকামী জনতার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রধান মুহাম্মাদ বদিইসহ নেতাদের হত্যা করার ষড়যন্ত্র বন্ধ করে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার জন্য আমি মিশর সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
এসএইচ





