কোরবানীর প্রকৃত শিক্ষা ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহবান জানিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সকল স্তরের নগরবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
বুধবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি আরো বলেন, এদিন মুসলিম জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম (আ.) মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ঈসমাঈল (আ.) কে কোরবানী করতে উদ্ধত হয়েছিলেন। মানব ইতিহাসে এমন ত্যাগ ও কুরবানীর মহিমা অদ্বিতীয় ও নজিরবিহীন। সে থেকেই মুসলিম উম্মাহ এদিনটিকে পবিত্র ঈদুল আজহা হিবে পালন করে আসছে।
শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) ও দিনটিকে ঈদুল আজহা হিসেবে নিজে যেমন পালন করেছেন, তেমনিভাবে সমগ্র মুসলিম মিল্লাতের জন্য অত্যাবশ্যকীয় করেছেন। তাই বিশ্ব মুসলিম অত্যাবশ্যকীয় ইবাদত হিসাবে এই মহিমান্বিত দিনটিকে পবিত্র ঈদুল আজহা হিসাবে পালন করে আসছে।
রফিকুল ইসলাম বলেন, কোরবানীর প্রকৃত শিক্ষা হচ্ছে ত্যাগ ও কোরবানীর মাধ্যমে সমাজ থেকে সকল অন্যায়, অনাচার, পাপ-পঙ্কিলতা, ইন্দ্রিয় পরায়ণতা, জুলুম-নির্যাতনসহ সকল প্রকার অনৈতিক ও অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ ও প্রতিহতের মাধ্যমে সমাজে সার্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা। তাই ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষাকে ধারণ করে দেশের ফ্যাসীবাদ, জুলুমতন্ত্র ও স্বৈরতন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষনেতৃবৃন্দকে অন্যায়ভাবে বছরের পর বছর আটক রাখা, বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের উপর জুলুম-নির্যাতন, জিঘাংসা, প্রতিহিংসা, জুলুম ও নির্যাতনের হাত থেকে সাধারণ মানুষও রেহাই পাচ্ছে না।
তাই দেশ ও জাতিকে বাঁচাতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই। তিনি কোরবানীর শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারের হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, গণতন্ত্র-গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস ও দেশ এবং জাতিসত্ত্বা বিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান এবং পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সকল স্তরের নগরবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানান।
এআর





