শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘গত একদশকে দেশে দারিদ্র্যের হার দৃশ্যমান মাত্রায় কমেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ৩১.৫ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। আমরা আশা করি, ২০১৮ সালের মধ্যে দারিদ্র ১৪ শতাংশে নেমে আসবে।’
রবিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণ এশিয়ায় খাদ্য অধিকার সম্মেলন-২০১৫ উপলক্ষে আয়োজিত ‘খাদ্যের অধিকার: বাংলাদেশ পরিস্থিতি’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
আমু বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র মালদ্বীপ ছাড়া অন্যান্য দেশে ক্ষুধা ও পুষ্টিহীনতার শিকার মানুষের হার ১৬ থেকে ২৪ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক।কিন্তু বাংলাদেশে গত এক দশকে খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে।
তিনি বলেন, অতি দরিদ্র্য মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনির আওতায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার দক্ষতার সাথে কার্যকর ম্যাক্রো-ইকোনমিক পলিসি প্রণয়ন ও তা অনুসরণ করে যাচ্ছে।
‘ফলে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা ও বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের মধ্যেও বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে ৬ শতাংশের বেশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। সামাজিক অগ্রগতির অনেক সূচকে আমরা প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের চেয়েও এগিয়ে রয়েছি’ যোগ করেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির এই সদস্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর এবিএম ফারুকের উপস্থাপনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাবির অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. এম এম আকাশ।
বক্তব্য রাখেন, ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. এম আবু ইফসুফ, চবি আইন বিভাগের প্রফেসর আবদুল্লাহ ফারুক ও ড. জয়নাল আবেদীন প্রমুখ।
এমএ





